ASSAM
মাঠে নেমে স্বাস্থ্য থেকে পরিকাঠামো পরিদর্শন শিলচরে মন্ত্রী কৌশিক রায়ের;
সরকারি রিপোর্টের পাতায় নয়, একেবারে মাঠে নেমে উন্নয়নের কাজের অগ্রগতি দেখতে চাইলেন অসমের খাদ্য, জনবণ্টন ও উপভোক্তা বিষয়ক, আবাসন ও নগর বিষয়ক এবং সমবায় মন্ত্রী কৌশিক রায়। সোমবার শিলচরে একাধিক সরকারি প্রকল্প ও পরিষেবা সরেজমিনে ঘুরে দেখলেন তিনি। কখনও শিলচর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমস্যার কথা শুনলেন, কখনও আবার নির্মীয়মাণ ইন্টিগ্রেটেড ডিস্ট্রিক্ট কমিশনারের অফিসে গিয়ে কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখলেন।
শিলচর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এ দিন নব-স্থাপিত অত্যাধুনিক সিটি স্ক্যান মেশিনের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। এর পর হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখে রোগী ও তাঁদের পরিজনদের জন্য থাকা পরিষেবা, পরিকাঠামো, পরিচ্ছন্নতা এবং হাসপাতালের সামগ্রিক কাজকর্মের খোঁজ নেন তিনি।
শুধু আধিকারিকদের কাছ থেকেই তথ্য নেননি মন্ত্রী কৌশিক রায়। চিকিৎসাধীন রোগী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেন। চিকিৎসা করাতে গিয়ে তাঁদের কোনও অসুবিধা হচ্ছে কি না, পরিষেবা পেতে কোথাও সমস্যা হচ্ছে কি না সরাসরি তাদের কাছে জানতে চান তিনি। রোগী ও পরিজনদের কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগ ও পরামর্শের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশও দেন মন্ত্রী।
এদিন নতুন সিটি স্ক্যান পরিষেবার উদ্বোধনের পরে মন্ত্রী কৌশিক রায় বলেন, এর ফলে বরাক উপত্যকার মানুষের কাছে উন্নত রোগ নির্ণয়ের পরিষেবা আরও দ্রুত এবং সহজে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। তাঁর কথায়, ‘‘উন্নতমানের ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার জন্য মানুষকে যাতে এই অঞ্চলের বাইরে যেতে না হয়, সেটাই লক্ষ্য। নতুন সিটি স্ক্যান মেশিনে এখানেই রোগ নির্ণয় সম্ভব হবে। চিকিৎসকেরাও দ্রুত রিপোর্ট পেয়ে চিকিৎসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।’’
মন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বাধীন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার আধুনিক এবং উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। শুধু হাসপাতালের পরিকাঠামোর উন্নয়ন নয়, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এসে রোগী ও তাঁদের পরিজনরা যাতে প্রতিদিনের পরিষেবায় কম সমস্যার মুখোমুখি হন, সেই বিষয়টিও সমান গুরুত্ব পাচ্ছে বলে জানান তিনি।
এর পরেই নির্মীয়মাণ ইন্টিগ্রেটেড ডিস্ট্রিক্ট কমিশনারের অফিস পরিদর্শনে যান মন্ত্রী। সেখানে কাজের বর্তমান অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন কাছাড়ের জেলা আয়ুক্ত রাহুল কুমার গুপ্তা এবং লোক নির্মান বিভাগের (বিল্ডিং)-এর আধিকারিকেরা। প্রকল্পের কাজ কত দূর এগিয়েছে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী কাজ চলছে কি না তা নিয়ে আধিকারিকদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন মন্ত্রী কৌশিক রায়।
কাজে যাতে অযথা বিলম্ব না হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার জন্য লোকনির্মান বিভাগের আধিকারিক এবং নির্মাণ সংস্থাকে নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে নির্মাণের গুণমানের সঙ্গে কোনও আপস না করার কথাও স্পষ্ট করে দেন মন্ত্রী।
পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী কৌশিক রায় বলেন, সরকারি রিপোর্টে পরিস্থিতির একটি ছবি পাওয়া যায় ঠিকই, কিন্তু মাঠে গিয়ে দেখলে অনেক সময় এমন সমস্যাও চোখে পড়ে, যা কাগজে ধরা পড়ে না। তাঁর কথায়, ‘‘হাসপাতালে মানুষের পরিষেবা দেওয়া হোক বা সরকারি ভবন নির্মাণের যে কাজ হচ্ছে, তা মানুষের প্রত্যাশার সঙ্গে মিলছে কি না, তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। ঘাটতি থাকলে তা চিহ্নিত করতে হবে, মানুষের সমস্যার সমাধান করতে হবে এবং প্রকল্পগুলি সময়মতো শেষ করতে হবে।’’
এ ধরনের সরেজমিনে পরিদর্শন আগামী দিনেও চলবে বলে জানান মন্ত্রী। বিশেষ করে জনপরিষেবার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত বিষয় এবং সরকারি প্রকল্পের সময়মতো কাজ শেষ করার ক্ষেত্রে পরিদর্শনে উঠে আসা বিষয়গুলির উপর সংশ্লিষ্ট দফতরকে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে বলেও জানান তিনি।
অসম সরকারের তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগের বরাক উপত্যকার আঞ্চলিক কার্যালয় শিলচর থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানানো হয়েছে।
শিলচর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এ দিন নব-স্থাপিত অত্যাধুনিক সিটি স্ক্যান মেশিনের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। এর পর হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখে রোগী ও তাঁদের পরিজনদের জন্য থাকা পরিষেবা, পরিকাঠামো, পরিচ্ছন্নতা এবং হাসপাতালের সামগ্রিক কাজকর্মের খোঁজ নেন তিনি।
শুধু আধিকারিকদের কাছ থেকেই তথ্য নেননি মন্ত্রী কৌশিক রায়। চিকিৎসাধীন রোগী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেন। চিকিৎসা করাতে গিয়ে তাঁদের কোনও অসুবিধা হচ্ছে কি না, পরিষেবা পেতে কোথাও সমস্যা হচ্ছে কি না সরাসরি তাদের কাছে জানতে চান তিনি। রোগী ও পরিজনদের কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগ ও পরামর্শের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশও দেন মন্ত্রী।
এদিন নতুন সিটি স্ক্যান পরিষেবার উদ্বোধনের পরে মন্ত্রী কৌশিক রায় বলেন, এর ফলে বরাক উপত্যকার মানুষের কাছে উন্নত রোগ নির্ণয়ের পরিষেবা আরও দ্রুত এবং সহজে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। তাঁর কথায়, ‘‘উন্নতমানের ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার জন্য মানুষকে যাতে এই অঞ্চলের বাইরে যেতে না হয়, সেটাই লক্ষ্য। নতুন সিটি স্ক্যান মেশিনে এখানেই রোগ নির্ণয় সম্ভব হবে। চিকিৎসকেরাও দ্রুত রিপোর্ট পেয়ে চিকিৎসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।’’
মন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বাধীন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার আধুনিক এবং উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। শুধু হাসপাতালের পরিকাঠামোর উন্নয়ন নয়, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এসে রোগী ও তাঁদের পরিজনরা যাতে প্রতিদিনের পরিষেবায় কম সমস্যার মুখোমুখি হন, সেই বিষয়টিও সমান গুরুত্ব পাচ্ছে বলে জানান তিনি।
এর পরেই নির্মীয়মাণ ইন্টিগ্রেটেড ডিস্ট্রিক্ট কমিশনারের অফিস পরিদর্শনে যান মন্ত্রী। সেখানে কাজের বর্তমান অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন কাছাড়ের জেলা আয়ুক্ত রাহুল কুমার গুপ্তা এবং লোক নির্মান বিভাগের (বিল্ডিং)-এর আধিকারিকেরা। প্রকল্পের কাজ কত দূর এগিয়েছে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী কাজ চলছে কি না তা নিয়ে আধিকারিকদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন মন্ত্রী কৌশিক রায়।
কাজে যাতে অযথা বিলম্ব না হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার জন্য লোকনির্মান বিভাগের আধিকারিক এবং নির্মাণ সংস্থাকে নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে নির্মাণের গুণমানের সঙ্গে কোনও আপস না করার কথাও স্পষ্ট করে দেন মন্ত্রী।
পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী কৌশিক রায় বলেন, সরকারি রিপোর্টে পরিস্থিতির একটি ছবি পাওয়া যায় ঠিকই, কিন্তু মাঠে গিয়ে দেখলে অনেক সময় এমন সমস্যাও চোখে পড়ে, যা কাগজে ধরা পড়ে না। তাঁর কথায়, ‘‘হাসপাতালে মানুষের পরিষেবা দেওয়া হোক বা সরকারি ভবন নির্মাণের যে কাজ হচ্ছে, তা মানুষের প্রত্যাশার সঙ্গে মিলছে কি না, তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। ঘাটতি থাকলে তা চিহ্নিত করতে হবে, মানুষের সমস্যার সমাধান করতে হবে এবং প্রকল্পগুলি সময়মতো শেষ করতে হবে।’’
এ ধরনের সরেজমিনে পরিদর্শন আগামী দিনেও চলবে বলে জানান মন্ত্রী। বিশেষ করে জনপরিষেবার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত বিষয় এবং সরকারি প্রকল্পের সময়মতো কাজ শেষ করার ক্ষেত্রে পরিদর্শনে উঠে আসা বিষয়গুলির উপর সংশ্লিষ্ট দফতরকে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে বলেও জানান তিনি।
অসম সরকারের তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগের বরাক উপত্যকার আঞ্চলিক কার্যালয় শিলচর থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানানো হয়েছে।