ASSAM
মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্ত বিশ্ব শর্মা অসম- মেঘালয়-নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় জানালেন।
অসম -মেঘালয় নিয়ে আজ দুটি রাজ্যের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় কই না ধারায়। অসমের মুখ্যমন্ত্রী সোশ্যাল মিডে জানিয়েছেন বৈঠক সম্পর্কে। রাত জাগতে মন্ত্রী অতুলবরা নেতৃত্ব দেন। দুটি রাজ্য ই শান্তিপূর্ণ অবস্থান নিয়ে চলতে সহম ত পোষণ করেছেন। যে সকল পর্যটকরা শিলং এর বিভিন্ন স্থানে আটকে ছিলেন তাঁদের মধ্যে ১২১ জনকে রাজ্যে নিরাপদে নিয়ে আসা হয় বাকি আরো ১১৫ জনকে নিয়ে আসার জন্য সব ধরনের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। অন্যদিকে বৈঠক অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এসআইটি ঘোষণা গঠন নাওয়া পর্যন্ত কোন ধরনের প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন না করা। মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্ত বিশ্ব শর্মা পুরো বিষয়টি উপর উপযুক্ত নজরদারি রেখে চলেছেন। এদিকে আজ যে ধরনের প্রতিবাদ জোরাহা বটে লক্ষ্য করা যায়, তাতে অতি সহজে ই বুঝে নেওয়া গেল যে লরি চালক থেকে শুরু করে যানবাহন চালকদের কত হয়রানির শিকার হতে হয়েছে তাছাড়া আন্দোলনকারীরা যথেষ্ট যানবাহনের উপর আক্রান্ত ক্ষয়ক্ষতির পর্যায়টিও আসার ফলে, প্রতিবাদ সাব্যস্ত করা হয়। মন্ত্রী অতুল বডরা ঘটনাস্থলে যান এবং পথ অবরোধ কারীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপে এগিয়ে চলেন। এ রাজ্যের যানবাহন চালকরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে গিয়ে জানিয়েছেন ব্যাপারটির একটি স্থায়ী সুরাহা করার জন্য কারণ সময় সময় এ ধরনের ঘটনা পূর্বেও ঘটেছিল আগে আগামী দিনেও যে ঘটবে না তার নিশ্চয়তা কোথায়? সুতরাং বিষয়টিকে হালকাভাবে নিলে চলবে না।
যেভাবে পর্যটকরা আটকে পড়েছিলেন অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কয়দিন, সে কিন্তু ভাবলেও অনেক কষ্টের দিকে নিয়ে চলে আর যারা এই পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন তাঁদের মানসিক অবস্থা ঠিক কি তা অতি সহজেই খুঁজে নেওয়া যায়
যেভাবে পর্যটকরা আটকে পড়েছিলেন অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কয়দিন, সে কিন্তু ভাবলেও অনেক কষ্টের দিকে নিয়ে চলে আর যারা এই পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন তাঁদের মানসিক অবস্থা ঠিক কি তা অতি সহজেই খুঁজে নেওয়া যায়