ASSAM
ভোটারদের মনোভাব জানার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত।
আজ ১৪ ই সেপ্টেম্বর সোমবার পূর্ব নির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী শিলচর পুর নিগমের নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র গত 11 সেপ্টেম্বর জমা দেওয়া হয় আর আজ পরীক্ষণের দিন ছিল এবং তা হল। যোগ্যতার ক্ষেত্রে যে সকল কথা হওয়ায় উড়ছিল শেষ পর্যন্ত দেখা গেল বিনা বাধায় অতিক্রান্ত হল এবং সম্পন্ন হল এই পর্যায়ে টি। যাহোক নির্বাচন তিন অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে আর এজন্য প্রত্যেক ওয়ার্ডের প্রত্যেক দলের প্রার্থীরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত । এমন কিছু প্রার্থীদের এবং তাঁদের সমর্থকদের বলা শোনা যায় যে, রাতের শেষভাগে ও জনতার পাশে যাওয়ার নজির গড়ছেন। অর্থাৎ ভোট পাওয়ার জন্য প্রার্থীরা যার পর নাই, পরিশ্রম করে চলেছেন। যে বিষয়টি এই নির্বাচনের আবে বিশেষ করে চর্চার মধ্যে উঠে এসেছে সে হলো ৪১ নম্বর ওয়ার্ড। প্রথমে দেখা গিয়েছিল বিজেপি দলের প্রার্থী ঘোষণার পর দলের মধ্যে এবং স্থানীয় জনতার মুখ থেকে যেগুলো শুনতে পাওয়া যায় সে ছিল তা নিয়েও প্রার্থী কেন দেওয়া হয়নি। এখনো এর পারদ নেভে যায়নি। অথচ নির্বাচন আর বেশি দূরে নয়। অন্যদিকে জাতীয় কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী শ্রীমতি গোয়াল া প্রচারে এবং জনমনে অনেকটাই এগিয়ে থাকতে এলাকায় দেখা যাচ্ছে। তাছাড়া তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে ও এক বিশেষ ভূমিকা নিয়ে চলেছেন। এখন দেখার বিষয় যে ওই ওয়ার্ডের বিজেপি এবং কংগ্রেসের মধ্যে কোন প্রার্থীকে বেশি গুরুত্ব দেন ভোটদাতারা সেদিকেই কেবল অপেক্ষার পালা মাত্র। যদি ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থীদের দিকে চোখ রাখা যায় তাহলে সেখানে ও নির্দল প্রার্থী থেকে শুরু করে বিজেপি জোট অগপ যথেষ্ট প্রচার ে মগ্ন রয়েছেন। অগপর প্রার্থীর বক্তব্য নয়, সমর্থক 14 সেপ্টেম্বর যে কথা বললেন তাতে দেখা গেছে কংগ্রেস বা নির্দলের অবস্থান সেখানে যথেষ্টই জনসমর্থনের দিকে পিছিয়ে রয়েছে। অর্থাৎ দেখা গেছে যে প্রত্যেক দলেরই বিজয়ী হওয়ার এক শক্ত মনের অবস্থান প্রকট হয় উঠছে। আজকাল অবশ্য ভোট বয়কটের দেখা পাওয়া যায় না। এবার শিলচর পুর নিগমের নির্বাচনে যদি ঘটে সে এক নতুন দিশার কিছু দিক হয়তোবা ইঙ্গিত করতে পারে। অনেকের বক্তব্য এই নির্বাচনের আবহাওয়া এ পাওয়া যায় যে লোকসভা এবং বিধানসভা নির্বাচনের মত পুরো নিগমের নির্বাচন নয়। পৃথক গতি নিয়ে এগিয়ে চলে আর এর পরিশোধ ক একেবারে কম থাকে। তবে একাংশ ভোটারের দাবি যে এ নির্বাচন অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ কারণ কি একেবারে সরাসরি পাড়ার সঙ্গে পাড়া যুক্ত থাকার মধ্যেও জন সম্পর্কে সরাসরি চলে যেতে হবে বা সম্ভাবনা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করার। তবে দলীয় পরিস্থিতি আর জনতার মনোভাব এ সম্পূর্ণ আলাদা ব্যাপার হয়ে থাকে। সুশীল সমাজ বলছেন, নির্বাচন হোক শৃঙ্খলা বজায় রেখে। শহরের নাগরিকরা যাতে ওয়ার্ড ভিত্তিক জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা পরিষেবা আগামী দিনে পেয়ে ওঠেন সেটাই হবে প্রকৃত কাজ। ওই ব্যাপারগুলো যাদের মধ্যে স্বাভাবিক এবং গুরুত্বের মধ্যে থাকবে তারাই জনতার জন্য কাজ করার উপযুক্ত সুযোগ পেয়ে থাকতে আগামী দিনের জন্য শক্ত অবস্থান নিয়ে চলবে। প্রার্থীদের শিক্ষার ক্ষেত্রে যে নির্ধারিত সূচি জারি হয়েছিল নির্বাচনের পূর্বে সেইমতেই করা হয়েছে যা জানা যায়। মনে রাখা দরকার যে কেবলমাত্র শিক্ষার দিকে ই শেষ কথা নয় মানুষের সঙ্গে কিভাবে উপযুক্ত ব্যবহার করতে হয় সেই ব্যক্তি সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি সততা বজায় রেখে জনতার প্রতি লক্ষ্য রেখে দায়িত্ব নেভাতে পারাটাই সঠিক কাজ।