WORLD
নেপালে জল প্রলয়ের ফলে ১৩৩ জন অধিক ভারতীয় নিখোঁজ।
নেপালে জল প্রলয়ের ফলে ভারতের ১৩৩ জন জনে এর অধিক লোক নিখোঁজ বলে নয়াদিল্লি কর্তৃক জানানো হয়েছে। নেপালের এটি প্রাকৃতিক বিপদ বিপর্যয়। সে দেশের অনেক সেনা এই প্রাকৃতিক সংকটের মুখে জীবন উৎসর্গ করেছেন। বহু বিদেশি পর্যটক নেপালে নিজের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন। আমাদের বায়ু সেনারা অপারেশন জিন্দেগি শুরু করেছেন। পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হওয়ার মুখে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, শোক ব্যাপ্ত করার পাশাপাশি নেপালের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গিকার গ্রহণ করেছেন এবং কাজও এগিয়ে চলেছে। আমাদের বিহার রাজ্যের জনজীবনে এই প্রণয়ন করি জলের তাণ্ডব লীলার ফলে গভীর চিন্তার ফলে হাই এলার্ট জারি করা হয়েছে। অনেক পরিমাণ পাহাড়ে বৃষ্টি হওয়ার ফলে জলের তুরে পাহাড় ভেঙ্গে ভূমিধসের স্রোতে জনজীবন থেকে শুরু করে ঘরবাড়ি যানবাহন সবক্ষেত্রে এক বিভীষিকা পূর্ণ পরিস্থিতির মুখে নেপাল।। মৃত্যুর মিছিল দেখা দিয়েছে। নিখোঁজের সংখ্যা সঠিকভাবে নিরূপণ করা এই মুহূর্তে মুশকিল হয়ে পড়েছে। এই যে বিপর্যয় নেপালে ঘটেছে তা স্বাভাবিক এ যেতে অনেক দিন পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে। এই সময় নেপালের পাশে এবং জনতার জীবন চলে যাওয়ার মুখে যথেষ্ট শোক ছায়া নেমে আসে। এই যে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছে সে অঞ্চলটি হল নেপালের রুসহা অঞ্চলেঘটেছিল। সোমবারে বলা হয়েছে চীন এই খবরটি ৪৫ মিনিট পর জারি করার ফলে নেপাল গভীর সংকটে মুখে পড়েছে। সঠিক সময়ে খবরটি নেপাল কে চীন থেকে দেওয়া হতো যে প্রবল জলস্রোত আসছে তাহলে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে জীবন বাঁচানোর দিকে অনেকটাই এগোনো যেত। প্রাণ বাঁচাতে একটুকু সময় সেখানকার লোকে পাননি বলে এত প্রাণহানি ঘটেছে। কয়েকশ ো লোকের প্রাণ চলে গেছে বলে আশঙ্কা যদিও এখনই সম্পূর্ণ পরিসংখ্যান তুলে ধরা মুশকিল।
নেপালের এই প্রলয়ন করি পরিস্থিতির সময়ে সরাসরি সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে নয়া দিল্লি।
২০১৫ সনের ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবার পর ২৬ আগস্ট ২০২৬ দিনটি প্রলয়ন করি জলের স্রোতের ধারার ফলে যে ক্ষয়ক্ষতির মুখে নেপালকে পড়তে হয়েছে তা খুবই ভয়ানক কারণ কত কত গ্রাম বিলীন হয়ে গেছে জলের তুরে কত কত প্রাণ মাটির নিচে চলে যায়। এত বড় ক্ষতি এবং ভয়ঙ্করই রূপ রূপ হয় না।
উল্লেখ্য কাঠমান্ডু থেকে 125 কিলোমিটার দূরের জেলা বুটেকোষী নদী। সেখানে জেলাশাসক সূত্রে জানানো হয়েছে বুধবার সময় সকাল নয়টা নাগাদ তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালের রাশুয়া ও ধাঁধিং জেলার উপর দিয়ে প্রবল বেগে জল আসতে থাকে।।
নেপালের এই প্রলয়ন করি পরিস্থিতির সময়ে সরাসরি সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে নয়া দিল্লি।
২০১৫ সনের ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবার পর ২৬ আগস্ট ২০২৬ দিনটি প্রলয়ন করি জলের স্রোতের ধারার ফলে যে ক্ষয়ক্ষতির মুখে নেপালকে পড়তে হয়েছে তা খুবই ভয়ানক কারণ কত কত গ্রাম বিলীন হয়ে গেছে জলের তুরে কত কত প্রাণ মাটির নিচে চলে যায়। এত বড় ক্ষতি এবং ভয়ঙ্করই রূপ রূপ হয় না।
উল্লেখ্য কাঠমান্ডু থেকে 125 কিলোমিটার দূরের জেলা বুটেকোষী নদী। সেখানে জেলাশাসক সূত্রে জানানো হয়েছে বুধবার সময় সকাল নয়টা নাগাদ তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালের রাশুয়া ও ধাঁধিং জেলার উপর দিয়ে প্রবল বেগে জল আসতে থাকে।।