ASSAM
ট্রেনে টিকিটবিহীন ভ্রমণরোধে এন.এফ.রেলওয়ের বিশেষ অভিযান
গত ২৭ আগস্ট উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের সদর দফতর থেকে জানানো হয়েছে যে, ২০২৬-এর জুলাই মাসে টিকিট পরীক্ষা করার অভিযানে উল্লেখযোগ্য উন্নতি লাভ করা সম্ভব হয়েছে। এটি স্বচ্ছ টিকিট ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, টিকিটবিহীন যাত্রা রোধ করা এবং প্রকৃত যাত্রীদের জন্য আরামদায়ক ভ্রমণের পরিবেশ প্রদানের ক্ষেত্রে তাঁদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন প্রবাহিত। এই জোনের বিভিন্ন স্টেশন ও ট্রেনে টিকিট পরীক্ষা ব্যাপক অভিযানের ফলে এই মাসে ৭৬,৯৮৯ জন যাত্রীকে টিকিটবিহীন বা অনিয়মিত টিকিট সহ ভ্রমণ করতে পাওয়া গেছে। ধারাবাহিকভাবে প্রয়োগ করা এই প্রচেষ্টার উদ্দেশ্য হল ট্রেন যাত্রার সময় সঠিক টিকিট ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। এই অভিযানের ফলে অনঅনুমোদিত যাত্রীদের কাছ থেকে জরিমানা ও মাশুল বাবদ ১০.৯৫ কোটি টাকা আদায় করা সম্ভব হয়েছে। মোট শনাক্ত হওয়া যাত্রীর মধ্যে ৫৫.৯৮৮, যাত্রীকে টিকিট ছাড়াই ভ্রমণ করতে পাওয়া গেছে। যার ফলে ভাড়া এবং অতিরিক্ত চার্জের জন্য ৮.৯৭ কোটি টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়াও ২১০০১ জন যাত্রীকে অনিয়মিত টিকিটসহ ভ্রমণ করতে পাওয়া গেছে এবং ১.৯৮ কোটি টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
দেখা গেছে যে উল্লেখিত রূপরেখা বিচার শেষে এই স্থানে উপনীত হওয়া গেল যে, এত টেকনোলজি, এত উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রত্যেকের হাতে হাতে উন্নত মোবাইল সেট সবকিছুর চলমান অবস্থায়ও একজন যাত্রী ট্রেনে উঠার কথা জানেন, সফর করতেও জানেন কিন্তু জানেনা শুধু টিকিট যে কাউন্টার থেকে নিয়ে সঠিক দায়িত্ব নিজের দায়িত্ব পালন করে নেবেন। যাই হোক এই তথ্য একটি সভ্য সমাজের কাছে অর্থাৎ যে সময়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১৪০ কোটি জনতার জন্য বিকশিত ভারতের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছেন ২০৪৭ সন অর্থাৎ দেশের স্বাধীনতা শতবর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে। মনে হয় আরও আমাদের ব্যবহারগত এবং দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকা ঠিক কিভাবে পালন করতে হয় সে ব্যাপারে আরও পড়াশোনা করতে হবে। তবে একথা সত্য যে যারা সত্যিকার দায়িত্ব পালন করে টিকিট ক্রয় করে চলেন তাঁদের সম্মান যেন হানি না হয় আর টিকিটবিহীনরা যাতে নিজের লজ্জা নয় দেশের লজ্জাকে বাঁচান সেদিকে নিজেদেরকে আরও মনোনিবেশ ঘটাতে হবে। কারণকি আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ১লা অক্টোবর মাস থেকে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল অতিরিক্ত যাত্রাবাহী ট্রেন হিসেবে ৬টি চালানোর কথা ঘোষণা করেছেন। আর মা দূর্গাকে কোন অবস্থায় যাতে এক্ষেত্রে শ্রদ্ধাশীলতার থেকে দূরে রাখা না হয় সেদিক বিচার করে যাত্রীবাহী ট্রেনে উপযুক্ত মর্যাদা নিয়ে এগিয়ে চলুন এবং গর্বিত দেশের গর্বকে উপভোগ করুন।
দেখা গেছে যে উল্লেখিত রূপরেখা বিচার শেষে এই স্থানে উপনীত হওয়া গেল যে, এত টেকনোলজি, এত উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রত্যেকের হাতে হাতে উন্নত মোবাইল সেট সবকিছুর চলমান অবস্থায়ও একজন যাত্রী ট্রেনে উঠার কথা জানেন, সফর করতেও জানেন কিন্তু জানেনা শুধু টিকিট যে কাউন্টার থেকে নিয়ে সঠিক দায়িত্ব নিজের দায়িত্ব পালন করে নেবেন। যাই হোক এই তথ্য একটি সভ্য সমাজের কাছে অর্থাৎ যে সময়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১৪০ কোটি জনতার জন্য বিকশিত ভারতের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছেন ২০৪৭ সন অর্থাৎ দেশের স্বাধীনতা শতবর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে। মনে হয় আরও আমাদের ব্যবহারগত এবং দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকা ঠিক কিভাবে পালন করতে হয় সে ব্যাপারে আরও পড়াশোনা করতে হবে। তবে একথা সত্য যে যারা সত্যিকার দায়িত্ব পালন করে টিকিট ক্রয় করে চলেন তাঁদের সম্মান যেন হানি না হয় আর টিকিটবিহীনরা যাতে নিজের লজ্জা নয় দেশের লজ্জাকে বাঁচান সেদিকে নিজেদেরকে আরও মনোনিবেশ ঘটাতে হবে। কারণকি আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ১লা অক্টোবর মাস থেকে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল অতিরিক্ত যাত্রাবাহী ট্রেন হিসেবে ৬টি চালানোর কথা ঘোষণা করেছেন। আর মা দূর্গাকে কোন অবস্থায় যাতে এক্ষেত্রে শ্রদ্ধাশীলতার থেকে দূরে রাখা না হয় সেদিক বিচার করে যাত্রীবাহী ট্রেনে উপযুক্ত মর্যাদা নিয়ে এগিয়ে চলুন এবং গর্বিত দেশের গর্বকে উপভোগ করুন।