ASSAM
জালুকবাড়িতে ড° ভূপেন হাজারিকার জন্ম-শতবার্ষিকী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর অংশগ্রহণ
দিছপুর, ৮ সেপ্টেম্বর: মুখ্যমন্ত্রী ড° হিমন্ত বিশ্ব শর্মা আজ গুয়াহাটি মহানগরীর জালুকবাড়ির ড° ভূপেন হাজারিকা সমন্বয় তীর্থে আয়োজিত ভারতরত্ন ড° ভূপেন হাজারিকার জন্ম-শতবার্ষিকী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। তিনি সুধাকণ্ঠের সমাধিস্থলী এবং প্রতিমূর্তিতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।আজকের এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী সুধাকণ্ঠের জন্ম শতবার্ষিকীর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে অসম সরকার শ্রীমন্ত শংকরদেব কলাক্ষেত্রে নতুন রূপে স্থাপন করতে যাওয়া ড° ভূপেন হাজারিকা সংগ্রহালয়ের আধারশিলা আভাসীয় রূপে স্থাপন করার পাশাপাশি ড° ভূপেন হাজারিকার জীবন ও কর্মভিত্তিক মূল বিষয়বস্তু হিসাবে নিয়ে নতুন প্রজন্মের মাঝে আয়োজন করা এক ‘ইনস্টারীল’ প্রতিযোগিতারও শুভারম্ভ করেন।এই উপলক্ষে দেওয়া ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী ড° শর্মা বলেন, ইতিহাসের পাতায় যুগে যুগে এমন কিছু বিরল মহাপ্রাণ ব্যক্তিত্বের আবির্ভাব ঘটে, যাঁরা কেবল নিজের সময়ের প্রতিনিধি হয়ে থাকেন না। বরং তাঁদের ব্যক্তিত্বই সময়কে নতুন অর্থ এবং নতুন দিশা প্রদান করে। তাঁদের জীবন ও সৃষ্টির দীপ্তি কালের সীমা অতিক্রম করে মানুষের অন্তরে চিরদিন প্রজ্বলিত হয়ে থাকে। ড° ভূপেন হাজারিকা ছিলেন তেমন এক কালজয়ী সত্তা, মহান আত্মা, যাঁর কণ্ঠে অসমের মাটির গন্ধ, মহাবাহু ব্রহ্মপুত্রের সোঁতার গভীরতা, ভারত মাতার স্পন্দন এবং সমগ্র মানবতার প্রতি অপার মমতা একাকার হয়ে ধ্বনিত হয়েছিল।তিনি বলেন, ভূপেন হাজারিকার গান এবং অমিয়া সুর মানুষের অনুভবকে ভাষা দিয়েছিল, সমাজের বিবেক জাগ্রত করেছিল এবং বিভাজনের মাঝে সমন্বয়ের সেতু নির্মাণ করেছিল। গীত, কবিতা এবং চলচ্চিত্রের সৃজনশীলতা এবং সমাজের প্রতি গভীর দায়বদ্ধতায় তিনি অসমীয়া জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয়কে বিশ্ব দরবারে এক অনন্য মর্যাদা প্রদান করেছিলেন। তাঁর সৃষ্টির সেই অনুরণন আজও সময়ের বুকে প্রতিধ্বনিত হয়ে আছে এবং এই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে নিয়ে গেছে মানবতা, সমন্বয় ও শান্তির বাণী।বিগত বছর ১৩ সেপ্টেম্বরে গুয়াহাটিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে রাজ্য সরকার ড° ভূপেন হাজারিকার জন্ম-শতবার্ষিকীর সূচনা করার কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী ড° শর্মা বলেন, জন্ম-শতবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সুধাকণ্ঠের স্মরণে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক কর্তৃক প্রস্তুত করা একটি স্মৃতি মুদ্রা এবং তাঁর জীবন ও কর্মের আধারে বিশেষভাবে প্রস্তুত করা একটি গ্রন্থ উন্মোচন করেছিলেন। এই গ্রন্থ ভারতের সংবিধান স্বীকৃত সকল ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে যাতে ড° ভূপেন হাজারিকার জীবন-দর্শন, সংগ্রাম এবং যুগজয়ী কীর্তি সম্পর্কে সকলে বিশদভাবে জানতে পারে। তদুপরি, গ্রন্থ রাজ্যের লক্ষাধিক পরিবারে প্রেরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।কলকাতার সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সঙ্গীতের পাশাপাশি চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রেও কলকাতাই তাঁর সৃজনশীল জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। কলকাতার টালিগঞ্জে থাকা বাসভবনেই সুধাকণ্ঠ জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিবাহিত করার পাশাপাশি বহু কালজয়ী সঙ্গীত সৃষ্টি করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে হাজারিকা এই বাসভবনটি বিক্রি করেছিলেন এবং বর্তমান গৃহটির কয়েকজন স্বত্বাধিকারী আছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, জন্ম-শতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে সেটির একটি নির্দিষ্ট মহলা ক্রয় করার জন্য অসম সরকার প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে এবং ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি এই বিষয়ে ব্যক্তিগত যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন।তিনি আরও বলেন, কলকাতার সঙ্গে থাকা সম্পর্ককে সজীব করে রাখতে গত ৬ সেপ্টেম্বরে কলকাতায় অবস্থিত অসমীয়া সাংস্কৃতিক সংস্থা ছল্টলেকে থাকা অসম ভবনে ড° ভূপেন হাজারিকার জন্ম-শতবার্ষিকীও উদযাপন করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জন্ম-শতবর্ষের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে রাজ্য সরকার ড° ভূপেন হাজারিকার স্মৃতি চিরযুগমীয়া করে রাখতে শ্রীমন্ত শংকরদেব কলাক্ষেত্রে একটি আকর্ষণীয় সংগ্রহালয় নির্মাণের কথা ঘোষণা করেছিল এবং এই ঘোষণার আধারে আজ সংগ্রহালয়টির আধারশিলা স্থাপন করা হয়েছে। সুধাকণ্ঠের জীবন, কর্ম ও সৃষ্টিকে সংরক্ষণ করে নতুন প্রজন্মের কাছে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে নির্মাণ হতে যাওয়া এই সংগ্রহালয়টির ব্যয় হবে প্রায় ৩৫.৩৭ কোটি টাকা। প্রায় ৩.২৬ বিঘা ভূমিতে নির্মাণ হতে যাওয়া একটি চার মহলীয় এবং একটি দুই মহলীয় ভবনে সংগ্রহালয়টি স্থাপন করা হবে এবং দুটি ভবন ভূমি মহলায় একটি করিডরের মাধ্যমে সংযুক্ত হবে। এর উপরে পথ, উদ্যান এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক নির্মাণ কার্য সামিল করে প্রায় ৪,৫৬২ বর্গমিটারের এলাকায় নির্মাণ কার্য করা হবে। অত্যাধুনিক সংগ্রহালয়টির নির্মাণ কার্য দুই বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ করা হবে বলেও তিনি জানান। ভূপেন হাজারিকার স্মৃতি বিজড়িত কোনো সম্পদ বা সামগ্রী যদি থাকে, তা অসমের জনসাধারণ ইচ্ছা করলে এই সংগ্রহালয়ে আগবাড়িয়ে দিতে পারবেন বলে উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার সম্পূর্ণ সুরক্ষায় এই সামগ্রীসমূহ সংরক্ষণ করে রাখবে।অনুষ্ঠানে ড° শর্মা জানান, রাজ্য সরকার ড° ভূপেন হাজারিকা সমন্বয় তীর্থকে এক নতুন রূপ দেওয়ার জন্য প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে। এই উদ্দেশ্যে গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে রাজ্য সরকার যোগাযোগ করে ক্ষেত্রখনিতে অতিরিক্ত ভূমি আগবাড়ানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। সমন্বয় তীর্থের সঙ্গে ইয়াতে গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ্য কলা কেন্দ্রও নির্মাণ করা সম্ভব হবে, যার ফলে নতুন প্রজন্ম গবেষণার আধারে সুধাকণ্ঠের থেকে আহরণ করতে পারবে। ‘অগমেন্টেড রিয়েলিটি’র মাধ্যমে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সমন্বয় তীর্থকে নতুন রূপে সাজিয়ে তোলার জন্য লোক নির্মাণ বিভাগ একটি আঁচনি হাতে নিয়েছে বলেও তিনি জানান। আগামী ২৯ নভেম্বরে নতুন দিল্লিতে ড° ভূপেন হাজারিকার জন্ম-শতবার্ষিকীর সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও উপস্থিত থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী ড° শর্মা বলেন, ভূপেন হাজারিকার জন্ম-শতবর্ষ উদযাপনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সুধাকণ্ঠের জীবন, কর্ম ও চিরন্তন অবদানকে নতুন প্রজন্মের কাছে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি তাঁর সৃষ্টিকে আধুনিক মাধ্যমের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে সাংস্কৃতিক পরিক্রমা বিভাগ একটি ব্যতিক্রমী ‘ইনস্টারীল’ প্রতিযোগিতার সূচনা করেছে। ‘ভারতরত্ন ড° ভূপেন হাজারিকার জীবন, কর্ম ও চিরযুগমীয়া অবদানের উদযাপন’ শীর্ষক বিষয়বস্তুতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই প্রতিযোগিতায় দেশ-বিদেশের ১৬ বছর থেকে ৪৫ বছর বয়সের যে কোনো ব্যক্তি অংশগ্রহণ করতে পারবে। বিনামূল্যের এই প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীরা সর্বাধিক ৩০ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের নিজে সৃষ্টি করা মৌলিক ভিডিও প্রস্তুত করে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপলোড করার উপরে প্রতিযোগিতার অংশ হিসাবে সরকারিভাবে প্রদান করা গুগল ড্রাইভে শেয়ার করতে হবে বলেও তিনি জানান। এই প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীদের আর্থিক পুরস্কারে পুরস্কৃত করা হবে বলেও তিনি জানান।সুধাকণ্ঠের সৃষ্টির মহাযাত্রা স্মরণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ড° ভূপেন হাজারিকা কেবল একজন গায়ক, সুরকার, গীতিকার, কবি বা চলচ্চিত্রকার ছিলেন না। তিনি ছিলেন একটা যুগ, একটা চেতনা, এক জীবন্ত ইতিহাস। শৈশবে অসমের লোকজীবন, লোকসুর ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে পরিচিত হওয়া অমর শিল্পীগরাকি অতি কম বয়সেই উপলব্ধি করেছিলেন যে সঙ্গীত কেবল মনোরঞ্জনের জন্য নয়। কণ্ঠহীনের কণ্ঠ হয়ে সমাজকে জাগ্রত করার এবং হৃদয়কে হৃদয়ের সঙ্গে সংযোগ করার এক শক্তিশালী মাধ্যম হচ্ছে সঙ্গীত। তেরো বছর বয়সে তাঁর কলম থেকে নিঃসৃত হওয়া —‘অগ্নিযুগের ফিরিঙতি মই, নতুন ভারত গড়িম, নতুন অসম গড়িম’ এই পংক্তিতে সুধাকণ্ঠের সমগ্র জীবনের সৃজনশীল সংকল্প নিহিত হয়ে ছিল বলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন।বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে ড° ভূপেন হাজারিকার নামে একটি শিক্ষা আসন স্থাপনের জন্য ইতিমধ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভূপেন হাজারিকার গানে অসমের মাটি ও মানুষের গন্ধ আছে। তাঁর গানে আছে ভারতীয় সভ্যতার গভীর চেতনা এবং সমগ্র মানবজাতির প্রতি অপরিসীম ভালোবাসা। মহাপুরুষ শংকরদেবের বরগীত থেকে আরম্ভ করে বিহু, আইনাম, বিয়ানাম, নিচুকনি গীত, ঐনিতম, জিকির, কামরূপী-গোয়ালপারীয়া লোকগীত, ঝুমুর, ভাটিয়ালী এবং বাউল সহ অসংখ্য লোকসুরকে সুধাকণ্ঠই নিজের সৃজনশীলতায় একত্রিত করেছিলেন এবং তাঁর প্রতিটি সৃষ্টির কেন্দ্রে ছিলেন মানুষ।মুখ্যমন্ত্রী ড° ভূপেন হাজারিকার নামে একটি জাতীয় নাট্যশালা স্থাপনের পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সাংস্কৃতিক পরিক্রমা বিভাগকে পরামর্শ প্রদান করেন। সংঘাত ও বিদ্বেষের বিপরীতে সুধাকণ্ঠের গানের লক্ষ্য ছিল শান্তি বলে মন্তব্য করে মুখ্যমন্ত্রী প্রসঙ্গক্রমে বলেন, ধ্বংসের আনন্দ ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু সৃষ্টির আনন্দ চিরযুগমীয়া। ধ্বংসক কেউ প্রশংসা করে না এবং ধ্বংসই মানুষকে পাশবিক আনন্দ দেয়। এর বিপরীতে সৃষ্টিই মানুষকে অমরত্ব প্রদান করে। আজকের নতুন প্রজন্মই সৃষ্টির আনন্দে নতুন ভারত এবং নতুন অসম গড়বে বলেও তিনি বলেন। এটা ড° ভূপেন হাজারিকার জন্ম-শতবার্ষিকী থেকে শিখতে পারা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বলেও মন্তব্য করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন — ‘ড° ভূপেন হাজারিকাই পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ, পদ্মবিভূষণ এবং ভারতরত্নকে ধরে দেশের সর্বোচ্চ সম্মান লাভ করেছিলেন। চলচ্চিত্র জগতের সর্বোচ্চ সম্মান দাদাসাহেব ফালকে বঁটাও তিনি সম্মানিত হয়েছিলেন। আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, আমাদের সমকালীন অসমের মধ্যে সকলের সম্মানের অধিকারী হওয়া সুধাকণ্ঠই ছিলেন এক অনন্য অসমীয়া, যাকে যুগে যুগে অসমীয়া জাতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাঁর শেষযাত্রায় সমবেত হওয়া পারাপারহীন জনসমুদ্রই যেন একমুখে ঘোষণা করেছিল — সুধাকণ্ঠ প্রকৃত অর্থেই জনতার শিল্পী। প্রয়াণের বহু বছর পরেও ড° ভূপেন হাজারিকার নাম উচ্চারণ হলে এখনও ভারতবর্ষের প্রেক্ষাপটে অসমীয়াই অনন্য সম্মান লাভ করে।’ সুধাকণ্ঠের সমুদ্রসদৃশ অবদানকে নতুন প্রজন্মের কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য রাজ্য সরকার সম্ভাব্য সকল প্রচেষ্টা গ্রহণ করবে বলেও তিনি জানান।আজকের অনুষ্ঠানে বহুসংখ্যক শিল্পী সমবেত কণ্ঠে সুধাকণ্ঠের কালজয়ী গান ‘বিস্তীর্ণ পারেরে’ পরিবেশন করে এক অনন্য পরিবেশের সৃষ্টি করে। অনুষ্ঠানে সরকারি চারু-কারু কলা মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভূপেনদার জীবন ও সৃষ্টির আধারে এক বিশেষ চিত্রাঙ্কন কার্যসূচি হাতে নেয়। ড° হাজারিকার জীবন ও কর্মের বিভিন্ন দিক সুন্দরভাবে প্রতিফলিত হওয়াকে সমগ্র সমন্বয় তীর্থ চৌহদ কলাত্মকভাবে সাজিয়ে তোলা হয়।অসম সরকারের সাংস্কৃতিক পরিক্রমা আদি বিভাগের মন্ত্রী বিমল বরার আদরণী ভাষণের মাধ্যমে আরম্ভ হওয়া আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে নির্দিষ্ট বক্তা হিসাবে উপস্থিত থাকেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক অনুরাধা শর্মা পূজারী। অনুষ্ঠানে বিত্ত আদি বিভাগের মন্ত্রী জয়ন্ত মল্ল বরুয়া, কৃষি আদি বিভাগের মন্ত্রী পীযূষ হাজারিকা, হস্ততাঁত, বস্ত্রশিল্প এবং রেশম আদি বিভাগের মন্ত্রী বিশ্বজিৎ দৈমারী, জলসম্পদ আদি বিভাগের মন্ত্রী সুশান্ত বরগোহাঁই, খাদ্য, রাজহুয়া বিতরণ এবং পরিক্রমা আদি বিভাগের মন্ত্রী কৌশিক রায়, সাংসদ দিলীপ শইকীয়া এবং বিজুলী কলিতা মেধি, বিধায়ক প্রশান্ত ফুকন, দিপ্লুরঞ্জন শর্মা এবং বিজয় গুপ্তা, গুয়াহাটি পৌর নিগমের মেয়র মৃগেন শরণীয়ার উপরে মুখ্য সচিব ড° রবি কোটা, গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড° ননীগোপাল মহন্ত প্রমুখ বহু সংখ্যক বিশিষ্ট ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন
০৮/০৯/২০২৬T
০৮/০৯/২০২৬T