ASSAM
জাতীয় মহাকাশ দিবস উদযাপন সরস্বতী বিদ্যা নিকেতন, মালুগ্রামে।
২৪ আগস্ট সোমবার বিদ্যা নিকেতনে জাতীয় মহাকাশ দিবস উদযাপিত হয়। ভারতের মহাকাশ গবেষণা ও চন্দ্র অভিযানের সাফল্যকে স্মরণ করার পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও মহাকাশ গবেষণার প্রতি আগ্রহ গড়ে তোলাই ছিল এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের উপপ্রধান তথা ভারপাপ্ত প্রধান আচার্যা অঙ্কিতা দেবরায় মহাকাশ বিজ্ঞান ও গবেষণার বিভিন্ন দিক নিয়ে একটি তথ্যবহুল ও অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈজ্ঞানিক কৌতূহল, যুক্তিবোধ, উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা ও অনুসন্ধিৎসু মনোভাব গড়ে তোলার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল চন্দ্রযান-৩-এর উপর একটি তথ্যবহুল ও আকর্ষণীয় উপস্থাপনা। বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির সভাপতি ড. বিশ্বজিৎ পুরকায়স্থ , বিদ্যালয়ের আচার্যা সপ্তদীপা দাশগুপ্ত ও অর্জিতা নাথ এই উপস্থাপনায় অংশগ্রহণ করেন। চন্দ্রযান-৩-এর বিভিন্ন পর্যায়, ভারতের চন্দ্র অনুসন্ধানের অগ্রগতি এবং চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে সফল অবতরণের ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবহিত করা হয়।
উপস্থাপনার সময় শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত আগ্রহ , কৌতূহল ও উৎসাহের সঙ্গে মহাকাশ অভিযান সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করে। সমগ্র কার্যক্রমটি ছিল শিক্ষামূলক, তথ্যবহুল ও অনুপ্রেরণামূলক। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভারতের মহাকাশ গবেষণার সাফল্য সম্পর্কে গর্ববোধের পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের উপপ্রধান তথা ভারপাপ্ত প্রধান আচার্যা অঙ্কিতা দেবরায় মহাকাশ বিজ্ঞান ও গবেষণার বিভিন্ন দিক নিয়ে একটি তথ্যবহুল ও অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈজ্ঞানিক কৌতূহল, যুক্তিবোধ, উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা ও অনুসন্ধিৎসু মনোভাব গড়ে তোলার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল চন্দ্রযান-৩-এর উপর একটি তথ্যবহুল ও আকর্ষণীয় উপস্থাপনা। বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির সভাপতি ড. বিশ্বজিৎ পুরকায়স্থ , বিদ্যালয়ের আচার্যা সপ্তদীপা দাশগুপ্ত ও অর্জিতা নাথ এই উপস্থাপনায় অংশগ্রহণ করেন। চন্দ্রযান-৩-এর বিভিন্ন পর্যায়, ভারতের চন্দ্র অনুসন্ধানের অগ্রগতি এবং চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে সফল অবতরণের ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবহিত করা হয়।
উপস্থাপনার সময় শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত আগ্রহ , কৌতূহল ও উৎসাহের সঙ্গে মহাকাশ অভিযান সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করে। সমগ্র কার্যক্রমটি ছিল শিক্ষামূলক, তথ্যবহুল ও অনুপ্রেরণামূলক। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভারতের মহাকাশ গবেষণার সাফল্য সম্পর্কে গর্ববোধের পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা সৃষ্টি হয়।