ASSAM
স্ব গণনার পর অনলাইন বাড়ি বাড়ি এগোনোর ক্ষেত্রে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা।
রাজ্যজুড়ে জনগণনার পদক্ষেপ স্বরূপ স্ব গণনার পর এবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে অনলাইন কার্যক্এই যখন চলছে তখন শিলচর মালু গ্রামের জনৈক মহিলা ওই এলাকার কৃষ্ণনগর লেনের বাসিন্দাদের ফোন করে সম্প্রতি বলেন, দেবীপ্রস াদ প্রসাদ পাঠশালায় সকলে জড়ো হতে। অথচ এ ধরনের নির্বাচন কমিশন দ্বারা কোন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি বা জেলা প্রশাসনিক কার্যালয় কিছু জানানো হয়নি। কেন ফোনের মাধ্যমে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর কথা বলে স্বাভাবিক জনজীবনে এ ধরনের কার্যকলাপ করা হলো, এ কিন্তু ঠিক নয়। এক্ষেত্রে একবার নয় তিন তিনবার করে গণনা কারীরা বাড়ি গিয়ে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করা শেষে সঠিক দিশায় পৌঁছাবেন। অর্থাৎ অনলাইন এর চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে যাবেন।। জনৈক মহিলা নিজেকে বিজেপির মহিলা মোর্চার সদস্য হিসেবে পরিচয় বহন করতে চান এ ব্যাপারে পোস্ট কিছু জনজীবনে দেখতে পাওয়া যায় না। এখানে শেষ নয় নির্দিষ্ট সময়সীমা স্বরূপ সকলকে বিকেল তিনটায় যত স্থানে পৌঁছার কোথাও বলেছিলেন। তবে এখন পর্যন্ত ওই লাইনে অনলাইনে নাম নথিভুক্ত বা লোক গণনার কাজে কেউ আসেননি। মালুগ্রাম অন্যান্য এলাকায় এই প্রক্রিয়া চলছে। নিজস্ব মতামত কে সর্বজনীন করার আগে ভাবা উচিত যে একে সঠিক বলা হচ্ছে?রম।