ASSAM
অসম -মেঘালয় পরিস্থিতি নিয়ে আজ দুটি রাজ্যের মধ্যে বৈঠক
মেঘালয় ছাত্র আন্দোলনের ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতি বেসামাল রূপ নেওয়ার পথে ক্রমাগত ধাবিত হচ্ছে। যানবাহন চালকদের ওপর বিভিন্ন ধরনের অশান্তিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে। এর ফলে অসমের যানবাহন চালকরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হন। খুবই দুর্ভাগ্যের বিষয় যে একই দেশের রাজ্যের রাজ্যে ঐক্যের ক্ষেত্রে সময় সময় ফাটলের দিক উঠে আসে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অসমের মুখ্যমন্ত্রী এবং মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে উপযুক্ত বৈঠকের মাধ্যমে তাছাড়া প্রত্যেক রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ও অতি সুচিন্তিত মনোভাব নিয়ে বইটিকে বসা জরুরী। এই মুহূর্তে মেঘালয় এবং অসমের শিলং রোডটি বন্ধ করতে বাধ্য হন যানবাহন চালকরা কারণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা একেবারেই ভঙ্গ ুর রোগ ধারণ করেছে। জোড়া মাঠে জোড়া ভাটে আন্দোলন চলছে আজ চার দিনে প্রায় পর্যবসিত। সড়ক অবরোধের মধ্য দিয়ে কোন অবস্থায় সঠিক কোন সমাধানের ক্ষেত্রে বের হতে পারে না। সর্বাবস্থায় শান্তি বজায় রাখতে বৈঠক জরুরী। কোন অবস্থায় সাধারণ লোকেদের জীবন যাপনের ক্ষেত্রে কঠোর পদক্ষেপ আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে নেওয়া অনুচ্ছেদ । এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে আবেদন রাখা হচ্ছে অসম থেকে যেন পর্যটকরা এই মুহূর্তে শিলং এ না যান। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবার পর যেন সেখানে যান। এই বিষয়টি সমগ্র দেশের জন্যই প্রযোজ্য হওয়া জরুরী। এমন আন্দোলন করা উচিত নয় যেখানে জরুরি পরিষেবা থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দিক ও সাধারণ জীবনধারায় চলা লোকেদের রোজগার জীবনে নেমে আসে অন্ধকারের ছায়া। দাবি আদায়ের জন্য যদি আন্দোলন করতে হয় তাহলে সে নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট স্থানে প্রতিবাদ সাব্যস্ত হোক এমনটাই চান শুভবুদ্ধি সম্পন্ন লোকেরা। এখনই শুধু নয় বিগত দিনে ও এ ধরনের পরামর্শ সচিন্তিত মস্তিষ্ক থেকে উঠে আসলেও সময়ে এর কার্যকর রূপ পাওয়া হয় ওঠেনা। অনেক যানবাহন মেঘালয়ের ছাত্র আন্দোলনের শিকার হয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে এ কিন্তু গম্ভীর বিষয়। সময় সময় অসাম মেঘালয়ের মধ্যে সীমা থেকে শুরু করে আরো অন্যান্য ব্যাপারে অশান্তিকর পরিবেশ ঘটে চলে আসছে আর দুটি রাজ্যের মধ্যে বৈঠক হয়েছিল এবং এবারও, বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে আজ। অসমের পক্ষে মন্ত্রী অতুল বরা। কই না ধারায়। বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এদিকে অসমের এবং দেশের অন্যান্য রাজ্যের বহু পর্যটকরা আন্দোলনরত পরিবেশের মধ্যে মেঘালয় আটকা পড়েছেন। সবকিছু বিচার করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আলোচনার মাধ্যমে সঠিকভাবে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরিয়ে যাতে দুটি রাজ্য যেতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখে বৈঠক খুব এমনটাই যাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা। ভারতের বৈশিষ্ট্যকে সর্বদা দেশের সর্বস্তরের জনগণকে মাথায় রেখে চলতে হবে এটি অসম এবং মেঘালয়ের ক্ষেত্রেও সমান প্রযোজ্য হওয়া কাম্য। এদিকে অসমের সচেতন নাগরিকদের পক্ষ থেকে আরো কিছু পরামর্শ উঠে আসে এসেছে তাতে বলা হয়েছে অসমের ছাত্র সংগঠন আসর পক্ষ থেকেও উদ্যোগ নেওয়া উচিত এই বর্তমান উত্তপ্ত দুটি রাজ্যের পরিস্থিতিকে সামনে রেখে।