ASSAM
তপাং কস্তুরবা বালিকা বিদ্যালয়ে তিন দিনব্যাপী আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণ শিবিরের সমাপ্ত প্রশিক্ষণ শেষে ছাত্রীদের হাতে শংসাপত্র; আত্মবিশ্বাস ও শিক্ষার মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান বিধায়ক কিশোর নাথের
কাছাড়, ১৯ সেপ্টেম্বর: বড়খলা বিধানসভা সমষ্টির তপাং মণ্ডলের অন্তর্গত তপাং পার্ট-২ কস্তুরবা গান্ধী বালিকা বিদ্যালয়ে তিন দিনব্যাপী আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণ শিবিরের সমাপনী অনুষ্ঠান শনিবার অনুষ্ঠিত হয়। ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ কর্মসূচির আওতায় ‘সংকল্প হাব ফর এমপাওয়ারমেন্ট অফ ওমেন’, কাছাড়ের উদ্যোগে এবং মহিলা ও শিশু উন্নয়ন বিভাগের সহযোগিতায় এই প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের সূচনায় প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে শুভ উদ্বোধন করা হয়। পাশাপাশি প্রয়াত শিল্পী জুবিন গার্গের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এদিন বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের মনোজ্ঞ নৃত্য পরিবেশন অনুষ্ঠানে বিশেষ মাত্রা যোগ করে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে মুখ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়খলা বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক কিশোর নাথ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসার মুজ্জাকির হক, জিপি সভাপতি, এপি সদস্য, জেলা পরিষদ সদস্য, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জান্নাতারা খানম লস্কর, ওয়ার্ডেন-সুপারিনটেনডেন্ট শ্রীমতি পাপড়ি দে, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্রীরা।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক কিশোর নাথ বলেন, বর্তমান সময়ে প্রত্যেক মেয়ের আত্মরক্ষার কৌশল জানা অত্যন্ত জরুরি। তবে আত্মরক্ষার পাশাপাশি শিক্ষাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। লেখাপড়ার মাধ্যমে জ্ঞান, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস অর্জন করেই ভবিষ্যতে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্যোগে ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ কর্মসূচি কন্যাশিশুর শিক্ষা, সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নের এক গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সংকল্প হিসেবে দেশজুড়ে এগিয়ে চলেছে। একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দীর্ঘ জনজীবনের অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যার ফলে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা, দক্ষতা বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ গঠনের জন্য নানামুখী সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
বিধায়ক আরও বলেন, শিক্ষা ও দক্ষতাই একজন মেয়েকে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রকৃত শক্তি দেয়। তাই প্রতিটি ছাত্রীকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজের লক্ষ্য স্থির করে এগিয়ে যেতে হবে এবং সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জুবিন গার্গের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উপস্থিত সকলে একসঙ্গে তাঁর জনপ্রিয় গান ‘মায়াবিনী’ পরিবেশন করেন। পরে তিন দিনব্যাপী আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী ছাত্রীদের হাতে বিধায়ক কিশোর নাথ শংসাপত্র তুলে দেন।
আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ছাত্রীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, সচেতনতা ও নিরাপত্তাবোধ গড়ে তোলার এই উদ্যোগকে উপস্থিত সকলে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান।
অনুষ্ঠানের সূচনায় প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে শুভ উদ্বোধন করা হয়। পাশাপাশি প্রয়াত শিল্পী জুবিন গার্গের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এদিন বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের মনোজ্ঞ নৃত্য পরিবেশন অনুষ্ঠানে বিশেষ মাত্রা যোগ করে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে মুখ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়খলা বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক কিশোর নাথ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসার মুজ্জাকির হক, জিপি সভাপতি, এপি সদস্য, জেলা পরিষদ সদস্য, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জান্নাতারা খানম লস্কর, ওয়ার্ডেন-সুপারিনটেনডেন্ট শ্রীমতি পাপড়ি দে, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্রীরা।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক কিশোর নাথ বলেন, বর্তমান সময়ে প্রত্যেক মেয়ের আত্মরক্ষার কৌশল জানা অত্যন্ত জরুরি। তবে আত্মরক্ষার পাশাপাশি শিক্ষাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। লেখাপড়ার মাধ্যমে জ্ঞান, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস অর্জন করেই ভবিষ্যতে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্যোগে ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ কর্মসূচি কন্যাশিশুর শিক্ষা, সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নের এক গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সংকল্প হিসেবে দেশজুড়ে এগিয়ে চলেছে। একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দীর্ঘ জনজীবনের অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যার ফলে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা, দক্ষতা বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ গঠনের জন্য নানামুখী সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
বিধায়ক আরও বলেন, শিক্ষা ও দক্ষতাই একজন মেয়েকে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রকৃত শক্তি দেয়। তাই প্রতিটি ছাত্রীকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজের লক্ষ্য স্থির করে এগিয়ে যেতে হবে এবং সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জুবিন গার্গের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উপস্থিত সকলে একসঙ্গে তাঁর জনপ্রিয় গান ‘মায়াবিনী’ পরিবেশন করেন। পরে তিন দিনব্যাপী আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী ছাত্রীদের হাতে বিধায়ক কিশোর নাথ শংসাপত্র তুলে দেন।
আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ছাত্রীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, সচেতনতা ও নিরাপত্তাবোধ গড়ে তোলার এই উদ্যোগকে উপস্থিত সকলে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান।