ASSAM
শিলচর পুরনিগমের নির্বাচন ৩ অক্টোবর, প্রার্থী তালিকা প্রকাশ পেল
শিলচর পুরসভা পুরনিগমে উন্নীত হয়েছে আর দীর্ঘ প্রায় ৬ বছর শেষে এই নির্বাচন আগামী ৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যা ইতিমধ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশন দ্বারা ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে প্রথম প্রার্থী তালিকা বিজেপি প্রকাশ করেছে, দ্বিতীয় পর্যায়ে বিরোধী দল কংগ্রেস তাঁদের প্রার্থী তালিকা প্রদেশ বিজেপির রাজীব ভবন থেকে প্রকাশিত হয় গত ১০ সেপ্টেম্বর। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর প্রথম দফায় ভারতীয় জনতা পার্টির ৪২ টি আসনের জন্য তাঁরা ৩৮টি আসনে নিজেদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন অন্যদিকে ৪টি আসন মিত্রজোট অগপ’র জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর এই দৌড়ে বিজেপির ২৪৯জন মোট দাবিদার হিসেবে লিখিত আবেদন কাছাড় জেলা বিজেপির সদর দফতরের মাধ্যম জমা দিয়েছেন আর প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করার পর যথেষ্ট উষ্মার মত পরিস্থিতি আমরা দেখতে পাই। বিবেক পোদ্দার থেকে শুরু করে প্রাক্তন শিলচরের বিধায়ক দীপায়ন চক্রবর্তী নির্বাচনের দৌড়ে ছিলেন বলে জানা যায় কিন্তু যেভাবে সংবাদ পরিবেশিত হয়েছিল পরবর্তীতে অর্থাৎ ১০ সেপ্টেম্বর বিবেক পোদ্দারের স্ত্রী স্পষ্টীকরণ দিতে গিয়ে জানিয়েছেন দলের প্রতি কোনও ধরনের অস্বস্তি বা অস্বাভাবিক আচরণের দিক নয়। ড০ হিমন্তবিশ্ব শর্মা নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি তাঁদের যেভাবে ভূমিকা ছিল এবং আস্থা সবই অক্ষুণ্ণ রয়েছে। অন্যদিকে দীপায়ন চক্রবর্তী নিয়েও যেসকল সংবাদ প্রকাশ পেয়েছিল সে সম্পর্কেও মন্ত্রী কৃষ্ণে¨ু পাল প্রকাশ্যে সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরতে গিয়ে দীপায়নকে সঙ্গে নিয়ে জানিয়েছেন, এক্ষেত্রে কোনও বিদ্বেষভাব নেই তাঁর, তিনি দলেই আছেন। এরপরও আরও কিছু দিক অর্থাৎ ওয়ার্ড ভিত্তিক প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষের দানা বৃদ্ধি পেতে দেখা যায় বিজেপির ক্ষেত্রে তবে সেগুলো দল ঠিক করে নেবে বলে বিজেপি কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে। তবে এও দেখা গেছে বিজেপির সুস্মিতা পাল এই সময়ে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে ২৭ নং-এ দাঁড়ানোর জন্য তিনি কংগ্রেস দলে যোগদান করেন এবং শিলচর জেলা কংগ্রেস ভবন থেকে তাঁকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। জেলা কংগ্রেস সূত্রে জানানো হয়েছে বিজেপি দল ত্যাগ করে আরও অনেকেই কংগ্রেসে যোগদান করেছেন তবে পুরনিগমের নির্বাচনে অবতীর্ণ হওয়ার জন্য একজনকেই প্রার্থীর জন্য বাছাই করা হয়েছে। অন্যদিকে ফোরাম ফর সোস্যাল হারমনির পক্ষ থেকেও মহিলা প্রার্থী দাঁড় করানো হয়েছে শিলচরের আপামর জনসাধারণের উন্নত পরিষেবা পাওয়ার জন্য। অন্যদিকে প্রাক্তন বিজেপির মেহেরপুর গাঁও পঞ্চায়েতের দেবাশীষ রায় গত ১০ সেপ্টেম্বর নির্দল হিসেবে সরকারি বালক বিদ্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ঐদিন রাইজর দল অর্থাৎ অখিল গগৈর দল থেকেও শিলচর পুরনিগমের নির্বাচনের জন্য প্রার্থীত্ব দেওয়া হয়, তারাও মনোনয়ন পত্র জমা দেন তবে আজ জাতীয় কংগ্রেস থেকে শুরু করে শাসকদল বিজেপির পক্ষ থেকে ও অগপ মনোনয়নপত্র দাখিল করবেন, এজন্য গতকাল থেকেই নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে কঠোর করতে ট্র্যাফিক ব্যবস্থায় বিশেষ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এজন্য গতকাল সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সরকারি বালক বিদ্যালয়ের এলাকা থেকে শুরু করে ডাকবাংলা রোড, ডাক বিভাগের প্রধান কার্যালয় এইসকল এলাকায় যেসকল পথচলার মধ্যে দোকপাট থেকে থাকে সব বন্ধ ছিল। যানবাহনের ক্ষেত্রেও সম্পূর্ণ বাধ্যবাধকতার দিকটি জারি ছিল এবং আজও তা অব্যাহত থাকার কথা।
নির্বাচন হবে এ নিশ্চিত, ভোটাররাও ভোট দেবেন তাও ঠিক কিন্তু যেভাবে দিনের পর দিন ভোটের পর্যায়টি কেবল আসতেই থাকছে তা নিয়ে কিন্তু সাধারণ নাগরিক জীবনে নাভিশ্বাসের যে পর্যায়ক্রম সে কিন্তু উঠে আসছে। তাছাড়া রাজনৈতিক প্রত্যেকটি দলের যেসকল প্রার্থীরা রয়েছেন তারা তাঁদের নিজেদের জয়কে সামনে রেখে রোড-শো থেকে শুরু করে প্রচারের দিক যথেষ্টভাবে নিয়ে চলতে দেখা যায়। তবে ভোটার যে লক্ষ্যবি¨ু কিন্তু একটাই যা বিগত নির্বাচনে জনগণ উপভোগ করেছেন এবং জনাদেশ দিয়েছেন তবে এই অধ্যায়ে যেসকল বিষয়গুলো বারবার ওঠে আসে সে হচ্ছে ভোটারদের অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয় সেক্ষেত্রে আবেগিক পরিবেশ অনেক সময় তাৎক্ষণিক এবং অন্তিমসময়ে ব্যতিক্রম রূপ নিয়ে দেখা যায়। বিজেপির পক্ষ থেকে বোর্ড গঠনের সম্পূর্ণ বিষয় রাজ্যিক বিজেপির সভাপতি দিলীপ শইকিয়া বলে গেছেন, অন্যদিকে জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষে সঞ্জীব রায় গত ১০ সেপ্টেম্বর বলেছেন, বিগতদিনে অর্থাৎ এই যে পৌরসভা পুরনিগমে উন্নীত হয়েছে এই বিল্ডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন দিকে যত চোখ যাবে এযে কংগ্রেসেরই অবদান। এক্ষেত্রে তিনি বলেছেন, গত ৬ বছর কেন শিলচর পৌরসভার নির্বাচন হয়নি এ বিষয়টিও জনসমক্ষে তুলতে দেখা যায় এবং নির্বাচনে কংগ্রেস ভাল দায়িত্বশীল ভূমিকা নেভাতে জনতার আশীর্বাদের পথে যাচ্ছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। তবে শেষ পর্যন্ত জনাদেশ কোন দলের পথে যাবে সেজন্য শতভাগের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত।
নির্বাচন হবে এ নিশ্চিত, ভোটাররাও ভোট দেবেন তাও ঠিক কিন্তু যেভাবে দিনের পর দিন ভোটের পর্যায়টি কেবল আসতেই থাকছে তা নিয়ে কিন্তু সাধারণ নাগরিক জীবনে নাভিশ্বাসের যে পর্যায়ক্রম সে কিন্তু উঠে আসছে। তাছাড়া রাজনৈতিক প্রত্যেকটি দলের যেসকল প্রার্থীরা রয়েছেন তারা তাঁদের নিজেদের জয়কে সামনে রেখে রোড-শো থেকে শুরু করে প্রচারের দিক যথেষ্টভাবে নিয়ে চলতে দেখা যায়। তবে ভোটার যে লক্ষ্যবি¨ু কিন্তু একটাই যা বিগত নির্বাচনে জনগণ উপভোগ করেছেন এবং জনাদেশ দিয়েছেন তবে এই অধ্যায়ে যেসকল বিষয়গুলো বারবার ওঠে আসে সে হচ্ছে ভোটারদের অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয় সেক্ষেত্রে আবেগিক পরিবেশ অনেক সময় তাৎক্ষণিক এবং অন্তিমসময়ে ব্যতিক্রম রূপ নিয়ে দেখা যায়। বিজেপির পক্ষ থেকে বোর্ড গঠনের সম্পূর্ণ বিষয় রাজ্যিক বিজেপির সভাপতি দিলীপ শইকিয়া বলে গেছেন, অন্যদিকে জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষে সঞ্জীব রায় গত ১০ সেপ্টেম্বর বলেছেন, বিগতদিনে অর্থাৎ এই যে পৌরসভা পুরনিগমে উন্নীত হয়েছে এই বিল্ডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন দিকে যত চোখ যাবে এযে কংগ্রেসেরই অবদান। এক্ষেত্রে তিনি বলেছেন, গত ৬ বছর কেন শিলচর পৌরসভার নির্বাচন হয়নি এ বিষয়টিও জনসমক্ষে তুলতে দেখা যায় এবং নির্বাচনে কংগ্রেস ভাল দায়িত্বশীল ভূমিকা নেভাতে জনতার আশীর্বাদের পথে যাচ্ছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। তবে শেষ পর্যন্ত জনাদেশ কোন দলের পথে যাবে সেজন্য শতভাগের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত।