ASSAM
ভোট হচ্ছে গণতন্ত্রের উৎসব
বিশ্বের কাছে যে গণতন্ত্রটি বহুলভাবে পরিচিত এবং প্রসারিত সে অন্য কোন দেশ নয় ভারতবর্ষ। এর ইতিহাস ৫০০০ বছর পুরনো আর ব্যবহারের দিক দিয়েও অসাধারণ তাছাড়া আপ্যায়নের পর্যায়টিও নজরকাড়া। মনে হয় এজন্যই শুধু ব্রিটিশ সাম্রাজ্য নয় এর আগেও বাবর-আকবর থেকে শুরু করে আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের দিকগুলো বারবার হবার মত বিষয় এই ভারতভূমিতে ঘটার সম্ভব হয়েছে আর এও সম্ভব যে, আফগানিস্তানও ভারতের অংশ ছিল, সেও চলে গেল অন্যদিকে ইরানের সীমান্তও ছিল ভারতের সেও পাকিস্তান রূপে চলে গেল, এবার পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়েও রাষ্ট্রসংঘকে বলতে হল যে, আন্তর্জাতিক মানচিত্র সঠিকভাবে বিচার-বিবেচনা করে যেন করা হয়। এভাবে আমরা দিনের পর দিন নিজেদের ব্যবহারের চূড়ান্ত রূপ দেখিয়ে সবকিছু শেষ করার পরেও জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন নেবার লক্ষ্যে বহু বছর অতিক্রান্ত করে ভারতমন্ডপম নির্মাণ করা হয়েছে নতুন করে দেশের সংসদ ভবন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রয়াসের ফলে হয়েছে। ইউপিআই সিস্টেম ভারত শিখিয়েছে বিশ্বের দিকে দিকে আর সেই আকর্ষণে অনেক দেশ আপ্লুত। এভাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা এগিয়েই শুধু যাচ্ছে এটি অতি বাস্তব তবে, গণতন্ত্রের উৎসবের ক্ষেত্রভূমি এদেশের বুকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে বছর জুড়ে শুধু মতদানের আসর আর অর্থের কার্যক্রম, এ আর কতকাল চলবে! এইতো এডিসির নির্বাচন শেষ হল আর এবার চলে এল ভিলেজ কমিটির নির্বাচন। দেখতে দেখতে ২০২৮-এ ত্রিপুরা রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন, ২০২৯-এ লোকসভা নির্বাচন। ২০৩১-এ অসমের বিধানসভা নির্বাচন, এনিয়ে কিন্তু আজকাল সচেতন নাগরিকরা মুখ খুলতে চলেছে। আর কতকাল এভাবে জনতার স্বাভাবিক জীবনযাপনের ক্ষেত্রে নির্বাচনের পর নির্বাচন কেবল হবেই আর ভোটারদের মস্তিষ্কে জনপ্রতিনিধিরা তাঁদের প্রত্যেকের নিজস্ব অর্থাৎ দলীয় মতামতকে দিয়ে চলবে এ কিন্তু বড্ড চর্চার এবং প্রশ্নচিহ্নের মধ্যেই দাঁড় করিয়ে দিল। দেশকে সত্যিকার অর্থে যদি বিকাশের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয় তবে প্রত্যেকটি বাড়িতে সঠিক অর্থে যারা ত্যাগী সমাজের বুকে লোকেরা রয়েছেন তাঁদের সহায়তার মাধ্যমে সরকারকে বিশেষ পন্থা-পদ্ধতি অবলম্বনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলার মাধ্যমে প্রকৃত সমাজ উন্নয়নের বাস্তব রূপকে অতি সহজে দেখতে পাওয়া যাবে কারণ এই সময়ে দাঁড়িয়ে একেবারেই স্পষ্ট করে বলা যাচ্ছে যে, যেহেতু জনগণ তাঁদের সঠিক দাবিগুলো পূরণের লক্ষ্যে হাঁটতে গিয়ে হোঁচটের পর হোঁচট খেয়ে চলেছেন অর্থাৎ সমাধানসূত্রে অনেকটাই দুর্গম পথের মত বাধা আর বাধা। আমরা দেখতে পাচ্ছি চাকরি থেকে শুরু করে আরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনও সরকারের কাছে প্রত্যেকটি পরিবারের সদস্যদের জন্য সুরাহার পথ প্রশস্ত করার দিক নেই, এসব বাস্তব।