ASSAM
রীভূমিতে ডঃ ভূপেন হাজারিকার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জেলা-স্তরের সমাপনী অনুষ্ঠান
রীভূমি, ৮ সেপ্টেম্বর: সমগ্র রাজ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে শ্রীভূমি জেলাতেও ভারতরত্ন ডঃ ভূপেন হাজারিকার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জেলা-স্তরের সমাপনী অনুষ্ঠান মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়।
দিনটির সূচনায় সকাল ১১টায় জেলা আয়ুক্ত কার্যালয়সহ জেলার বিভিন্ন বিভাগীয় কার্যালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে সুধাকণ্ঠ ডঃ ভূপেন হাজারিকার প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এরপর বিকেল ৩টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা আয়ুক্ত কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা আয়ুক্ত প্রদীপ কুমার দ্বিবেদীর পৌরোহিত্যে এক স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী ভাষণ দেন সাংস্কৃতিক পরিক্রমা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা আয়ুক্ত কিমনেইনেম চাংসান। তিনি ডঃ ভূপেন হাজারিকার কালজয়ী সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজে ছড়িয়ে পড়া মানবতা, ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তার তাৎপর্য তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে সপ্তসুর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থার শিল্পীরা সমবেত কণ্ঠে ডঃ ভূপেন হাজারিকার অমর গান “মানুষ মানুষের জন্যে” পরিবেশন করেন। তাঁদের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে মহান শিল্পীর মানবতাবাদী আদর্শ ও সম্প্রীতির বার্তা প্রতিফলিত হয়।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা আয়ুক্ত প্রদীপ কুমার দ্বিবেদী সুধাকণ্ঠ ডঃ ভূপেন হাজারিকার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, মহান শিল্পীর অবদানকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে তাঁর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বছরব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। তাঁর অমর সঙ্গীতের মাধ্যমে বিশ্বদরবারে আসামের যে স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচিতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা অত্যন্ত গৌরবের বিষয়।
জেলা আয়ুক্ত আরও বলেন, ডঃ ভূপেন হাজারিকা তাঁর সঙ্গীত ও সৃষ্টিশীলতার মাধ্যমে সমাজের প্রতিটি স্তরে ঐক্য, সৌভ্রাতৃত্ব, শান্তি ও সম্প্রীতির যে বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন, তা অতুলনীয় এবং চিরস্মরণীয়। তাঁর মহান আদর্শ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আগামী প্রজন্মের মধ্যে বহন করে নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের সিইও মুন গগৈ, অতিরিক্ত জেলা আয়ুক্ত এল. খিংতে, জয়ন্ত বরা, সপ্ততি এন্দো ও মারিয়া তানিম, সহকারী আয়ুক্ত অন্বেষা খেরসা, আলমগীর লস্কর, প্রিয়াঙ্কা ইউমনাম, পূজা ডাওলাগাপু ও বিপ্লব সেংইয়াঙ্গ, প্রশাসনিক আধিকারিক হিরন্ময় রায়সহ বিভিন্ন বিভাগীয় আধিকারিক ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
দিনটির সূচনায় সকাল ১১টায় জেলা আয়ুক্ত কার্যালয়সহ জেলার বিভিন্ন বিভাগীয় কার্যালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে সুধাকণ্ঠ ডঃ ভূপেন হাজারিকার প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এরপর বিকেল ৩টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা আয়ুক্ত কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা আয়ুক্ত প্রদীপ কুমার দ্বিবেদীর পৌরোহিত্যে এক স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী ভাষণ দেন সাংস্কৃতিক পরিক্রমা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা আয়ুক্ত কিমনেইনেম চাংসান। তিনি ডঃ ভূপেন হাজারিকার কালজয়ী সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজে ছড়িয়ে পড়া মানবতা, ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তার তাৎপর্য তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে সপ্তসুর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থার শিল্পীরা সমবেত কণ্ঠে ডঃ ভূপেন হাজারিকার অমর গান “মানুষ মানুষের জন্যে” পরিবেশন করেন। তাঁদের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে মহান শিল্পীর মানবতাবাদী আদর্শ ও সম্প্রীতির বার্তা প্রতিফলিত হয়।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা আয়ুক্ত প্রদীপ কুমার দ্বিবেদী সুধাকণ্ঠ ডঃ ভূপেন হাজারিকার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, মহান শিল্পীর অবদানকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে তাঁর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বছরব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। তাঁর অমর সঙ্গীতের মাধ্যমে বিশ্বদরবারে আসামের যে স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচিতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা অত্যন্ত গৌরবের বিষয়।
জেলা আয়ুক্ত আরও বলেন, ডঃ ভূপেন হাজারিকা তাঁর সঙ্গীত ও সৃষ্টিশীলতার মাধ্যমে সমাজের প্রতিটি স্তরে ঐক্য, সৌভ্রাতৃত্ব, শান্তি ও সম্প্রীতির যে বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন, তা অতুলনীয় এবং চিরস্মরণীয়। তাঁর মহান আদর্শ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আগামী প্রজন্মের মধ্যে বহন করে নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের সিইও মুন গগৈ, অতিরিক্ত জেলা আয়ুক্ত এল. খিংতে, জয়ন্ত বরা, সপ্ততি এন্দো ও মারিয়া তানিম, সহকারী আয়ুক্ত অন্বেষা খেরসা, আলমগীর লস্কর, প্রিয়াঙ্কা ইউমনাম, পূজা ডাওলাগাপু ও বিপ্লব সেংইয়াঙ্গ, প্রশাসনিক আধিকারিক হিরন্ময় রায়সহ বিভিন্ন বিভাগীয় আধিকারিক ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।