ASSAM
পড়ার ভারে পড়ুয়ারা আক্রান্ত
আমাদের গর্ব আমরা এখন ড্রোজার ব্যবহারের মাধ্যমে ১০০ জনের কাজ ১ ঘন্টায় করে নিতে পারলাম সে মোটামুটি ৯০ দশকের কথা। ঐ সময়টাতে ব্রডগেজের কাজ শিলচর-লামডিং রুটের মধ্যে হতে দেখা গিয়েছিল বিশেষ করে ১৯৯৮-৯৯ সনে। সময়ের ব্যবধানে কম্প্যুটারে গেম খেলার দৃশ্য ২০০০ সনের পর থেকে শুরু হয় বাচ্চাদের মনোরঞ্জনের প্রতি লক্ষ্য রেখে। ২০১০ থেকে লক্ষ্য করা গেল প্রযুক্তির আরও দৌড় এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রটি বেশ এগিয়ে চলার দিকে ইন্টারনেট জাতীয় ব্যাপার আর এই সময়ে যদি দেখা যায় তাহলে এ.আই তো দুর্দান্ত প্ল্যাটফর্ম নিয়েছে। এমতাবস্থায় যদি পড়ুয়াদের পড়ার ভারের কথা দেখা যায় সেক্ষেত্রে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে ব্যাগ বোঝাই বইয়ের পাহাড়, সরকারি-বেসরকারি সব ক্ষেত্রেই পড়াশোনার আধুনিকতার ক্ষিপ্রতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এদিকে সম্প্রতি চিকিৎসারত অবস্থায় এক ক্লাস নাইনের ছাত্রীর সংক্ষিপ্ত জীবনশৈলির একটি দিক এই অবসরে পাঠকদের সম্মুখে তুলে ধরা আবশ্যক বলে মনে হচ্ছে কারণকি আমরা সচেতন এবং এসম্পর্কে জানার দিকেও আপনার-আমার কারোরও কম নয় তবুও বাস্তবকে আরও একটু আয়নায় নিয়ে দেখা যাক। রাত ১২টা-১টা পর্যন্ত পড়া আর পড়া কারণ বোর্ডের পড়াশোনা নিয়ে কথা, ভোরে আবার উঠতে হবে টিউশনের পর টিউশন এরপর আবারও ßুñল ও তারপরও টিউশন। দেখা যাচ্ছে যে, একজন লোকের সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তাঁর নিজের শরীরের প্রতি খাবার খাওয়া থেকে শুরু করে প্রাকৃতিক কর্ম সম্পন্ন করতে কম করেও একটি দিনে ৩ ঘন্টা সময় চাইয সে স্থানে যদি প্রত্যেকটিতেই সময় নেই নেই বলে কেবল ইঁদূর দৌড় চললই তবে এর উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্যস্থল যে কোথায় তা অতি সহজেই বুঝে নেওয়া যাচ্ছে যে মস্তিষ্কে ব্যাপক প্রভাব পড়ে চলেছে। এক্ষেত্রে অভিভাবকরা ডাক্তার দেখাচ্ছেন সে তাঁদের অতি স্বাভাবিক দায়িত্বশীলতার বাস্তব প্রমাণ স্বরূপ। কিন্তু এব্যাপারে যে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার তারা কিন্তু রাজার অধ্যায় যদি থাকত সে প্রজাদের মঙ্গল কামনার্থে মহারাজের মন্ত্রী পরিষদের দায়িত্ব বর্তায় আর এই সময়ে যেহেতু গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে আমরা জীবনসংগ্রামের এক চূড়ান্ত অধ্যায়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি সেক্ষেত্রে কিন্তু দেশসেবকদের দায়িত্বই চূড়ান্ত হয় কেননা এই সময়ে দেশের বুদ্ধিজীবী মহলরাও যে বেশ নীরব ভূমিকায় নিভৃত।