ASSAM
শ্রদ্ধেয় রাজমোহন নাথ কলাক্ষেত্র নির্মাণের শুভ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নাথ পাড়ায় ### সাংস
নিজস্ব সংবাদদাতা, শিলচর: শিলচরের তারাপুরের নাথ পাড়ায় অবস্থিত কাছাড় যোগী সম্মিলনী প্রাঙ্গনে শ্রদ্ধেয় রাজমোহন নাথ কলাক্ষেত্র নির্মাণের শুভ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হয়। নাথ-যোগী সমাজের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবকে আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
এই কলাক্ষেত্র নির্মাণের জন্য মাননীয় রাজ্যসভা সাংসদ শ্রী কানাদ পুরকায়স্থ মহাশয়ের সুপারিশে তাঁর সাংসদ তহবিল (MPLADS) থেকে ২৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত বড়খলা সমষ্টির বিধায়ক শ্রী কিশোর নাথ আরও ২৫ লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা করেন। তাঁর এই ঘোষণায় উপস্থিত নাথ-যোগী সমাজের মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় রাজ্যসভা সাংসদ শ্রী কানাদ পুরকায়স্থ, বড়খলা সমষ্টির বিধায়ক শ্রী কিশোর নাথ, নাথ-যোগী কাছাড় জেলা সভাপতি শ্রী বিজয় নাথ, প্রয়াত পণ্ডিত শ্রদ্ধেয় রাজমোহন নাথের প্রপৌত্র শ্রী ধ্রুবজ্যোতি নাথসহ নাথ সমাজের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি, সমাজকর্মী ও গণ্যমান্য অতিথিবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধেয় রাজমোহন নাথের জীবন ও কর্ম নিয়ে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা তাঁর সমাজসেবা, শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চায় অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, রাজমোহন নাথ শুধু নাথ-যোগী সমাজের গর্ব নন, তিনি বরাক উপত্যকার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। তাঁর আদর্শ ও কর্ম আগামী প্রজন্মকে সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল ও সংস্কৃতিমনস্ক হতে অনুপ্রাণিত করবে বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, “রাজমোহন নাথ কলাক্ষেত্র শুধু একটি ভবন নয়, এটি নাথ-যোগী সমাজের সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ঐতিহ্যের এক স্থায়ী স্মারক হয়ে উঠবে।” সমাজের ঐক্য, সংস্কৃতির সংরক্ষণ এবং আগামী প্রজন্মকে নিজেদের শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত রাখার ক্ষেত্রে এই কলাক্ষেত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানটি নাথ-যোগী সমাজের সদস্যদের ব্যাপক উপস্থিতি ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়।
এই কলাক্ষেত্র নির্মাণের জন্য মাননীয় রাজ্যসভা সাংসদ শ্রী কানাদ পুরকায়স্থ মহাশয়ের সুপারিশে তাঁর সাংসদ তহবিল (MPLADS) থেকে ২৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত বড়খলা সমষ্টির বিধায়ক শ্রী কিশোর নাথ আরও ২৫ লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা করেন। তাঁর এই ঘোষণায় উপস্থিত নাথ-যোগী সমাজের মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় রাজ্যসভা সাংসদ শ্রী কানাদ পুরকায়স্থ, বড়খলা সমষ্টির বিধায়ক শ্রী কিশোর নাথ, নাথ-যোগী কাছাড় জেলা সভাপতি শ্রী বিজয় নাথ, প্রয়াত পণ্ডিত শ্রদ্ধেয় রাজমোহন নাথের প্রপৌত্র শ্রী ধ্রুবজ্যোতি নাথসহ নাথ সমাজের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি, সমাজকর্মী ও গণ্যমান্য অতিথিবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধেয় রাজমোহন নাথের জীবন ও কর্ম নিয়ে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা তাঁর সমাজসেবা, শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চায় অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, রাজমোহন নাথ শুধু নাথ-যোগী সমাজের গর্ব নন, তিনি বরাক উপত্যকার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। তাঁর আদর্শ ও কর্ম আগামী প্রজন্মকে সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল ও সংস্কৃতিমনস্ক হতে অনুপ্রাণিত করবে বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, “রাজমোহন নাথ কলাক্ষেত্র শুধু একটি ভবন নয়, এটি নাথ-যোগী সমাজের সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ঐতিহ্যের এক স্থায়ী স্মারক হয়ে উঠবে।” সমাজের ঐক্য, সংস্কৃতির সংরক্ষণ এবং আগামী প্রজন্মকে নিজেদের শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত রাখার ক্ষেত্রে এই কলাক্ষেত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানটি নাথ-যোগী সমাজের সদস্যদের ব্যাপক উপস্থিতি ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়।