ASSAM
SILCHAR-LUMDING BROADGUDGE RUPAYAN SANGRAM COMMITTEE CACHAR-KARIMGANJ-HAILAKANDI Central Office: R. R. Som Road (House No.-44) Silchar, Cachar (Assam) E-mai
বর্তমান পাহাড় লাইনে রেল পরিষেবার বিপর্যস্থ অবস্থা, এবং প্রতিবছর এই সমস্যার ক্রমশঃ বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান রেল লাইনের উপর চাপ কমানোর এবং যাতায়াত সুগম করার প্রয়োজনে দ্বিতীয় রেল পথ নির্মাণ সময়ের দাবী হয়ে দাঁড়িয়েছে। উপত্যকার নাগরিকদের পরামর্শ মত "শিলচর-লামডিং ব্রডগেজ রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটি" ২য় রেলপথের কাজ অবিলম্বে শুরু করার দাবীতে দীর্ঘস্থায়ী আন্দোলনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে। এরই সূচনা হিসেবে গত ২৯ শে আগষ্ট হাইলাকান্দি রেল স্টেশনে, ৩০ শে আগষ্ট করিমগঞ্জ রেল স্টেশনের সম্মুখে এবং; ৩১ শে আগষ্ট শিলচর রেল স্টেশনের সম্মুখে বেলা ১১ টায ধর্ণা এবং বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়।
কর্মসূচীর শুরুতে সংগ্রাম কমিটির অন্যতম আহ্বায়ক অধ্যাপক অজয় রায় উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন ২০০৯ সাল থেকে "..... ব্রডগেজ রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটি" আন্দোলন করে আসছে এবং পাহাড়ের মাটির অবস্থা এবং সমস্যা নিয়ে তাঁরা অবগত । ২০১৫ সালে ব্রডগেজ পরিষেবা চালু হওয়ার পর ২০১৬ সালের ৯ নভেম্বর হাইলাকান্দি জেলার রবীন্দ্রভবনে এক গণ অভিবর্তনে "চন্দ্রনাথপুর-লংকা' ২য় রেলপথের দাবী রেল কর্তৃপক্ষের নিকট তুলে ধরা হয়। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যা এবং মাটি ধ্বসের ঘটনার পর রেল বিভাগ ২য় রেলপথের সার্ভের জন্য অর্থ মঞ্জুর করে। কিন্তু গত ২০২৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারীতে শিলচর গান্ধী ভবনে গণ সমাবেশে ২য় রেল পথের সার্ভে রিপোর্ট প্রকাশ, ডিপিআর করা এবং দ্রুত কাজ শুরু করার দাবি সংগ্রাম কমিটি পুনরায় উত্থাপন করে। ইতিমধ্যে শুনা যায় যে নতুন রেল পথ হিসাবে লংকা - ময়নারবন্দ সার্ভে হয়েছে। ডি পি আর রেল বোর্ডে পাঠানো হয়েছে কিন্তু রেল বোর্ড এবং সংসদে এখনও অনুমোদন হয়নি। অধ্যাপক অজয় রায় বলেন যে বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ২য় রেলপথই শেষ কথা। সুতরাং সংগ্রামী সদস্যদের মধ্যে বিতর্ক এড়াতে সংগ্রাম কমিটি , এই মুহূর্তে "লংকা-চন্দ্রনাথপুর বা লংকা- ময়নারবন্দ" কোনটাই উল্লেখ করবে না। আন্দোলন চলবে ২য় রেল পথের কাজ অবিলম্বে শুরু করার দাবী নিয়ে। পরবর্তীতে সঠিক রেলপথ কোন দিকে যাচ্ছে তা জানার প্রয়াস করবে।
পরবর্তীতে এই বিশ্লেষনের সমর্থনে বক্তব্য রাখেন প্রবীণ শিক্ষক তথা নাগরিক আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী মলয় ভট্টাচার্য; ডি এস এ 'র সম্পাদক অতনু ভট্টাচার্য; সমাজকর্মী পীযূষ চক্রবর্তী; শ্রমিক নেতা মৃনাল কান্তি সোম; সাংস্কৃতিক কর্মী প্রদীপ নাথ, সরল পাল প্রমূখ । এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সুব্রত চন্দ্র নাথ, হরিদাস দত্ত, ভবতোষ চক্রবর্তী, মধূসুদন কর সত্যজিৎ গুপ্ত, দিলীপ নাথ অঞ্জন চন্দ, পরিতোষ ভট্টাচার্য, দীপক দাস; নাট্যকর্মী সন্তোষ চক্রবর্তী সহ আরও অনেক সংগ্রামী ব্যক্তিবর্গ।
বিক্ষোভ শেষে আহ্বায়ক অজয় রায় আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে সর্বস্তরের জনগনের সহযোগিতা কামনা করেন ।
কর্মসূচীর শুরুতে সংগ্রাম কমিটির অন্যতম আহ্বায়ক অধ্যাপক অজয় রায় উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন ২০০৯ সাল থেকে "..... ব্রডগেজ রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটি" আন্দোলন করে আসছে এবং পাহাড়ের মাটির অবস্থা এবং সমস্যা নিয়ে তাঁরা অবগত । ২০১৫ সালে ব্রডগেজ পরিষেবা চালু হওয়ার পর ২০১৬ সালের ৯ নভেম্বর হাইলাকান্দি জেলার রবীন্দ্রভবনে এক গণ অভিবর্তনে "চন্দ্রনাথপুর-লংকা' ২য় রেলপথের দাবী রেল কর্তৃপক্ষের নিকট তুলে ধরা হয়। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যা এবং মাটি ধ্বসের ঘটনার পর রেল বিভাগ ২য় রেলপথের সার্ভের জন্য অর্থ মঞ্জুর করে। কিন্তু গত ২০২৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারীতে শিলচর গান্ধী ভবনে গণ সমাবেশে ২য় রেল পথের সার্ভে রিপোর্ট প্রকাশ, ডিপিআর করা এবং দ্রুত কাজ শুরু করার দাবি সংগ্রাম কমিটি পুনরায় উত্থাপন করে। ইতিমধ্যে শুনা যায় যে নতুন রেল পথ হিসাবে লংকা - ময়নারবন্দ সার্ভে হয়েছে। ডি পি আর রেল বোর্ডে পাঠানো হয়েছে কিন্তু রেল বোর্ড এবং সংসদে এখনও অনুমোদন হয়নি। অধ্যাপক অজয় রায় বলেন যে বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ২য় রেলপথই শেষ কথা। সুতরাং সংগ্রামী সদস্যদের মধ্যে বিতর্ক এড়াতে সংগ্রাম কমিটি , এই মুহূর্তে "লংকা-চন্দ্রনাথপুর বা লংকা- ময়নারবন্দ" কোনটাই উল্লেখ করবে না। আন্দোলন চলবে ২য় রেল পথের কাজ অবিলম্বে শুরু করার দাবী নিয়ে। পরবর্তীতে সঠিক রেলপথ কোন দিকে যাচ্ছে তা জানার প্রয়াস করবে।
পরবর্তীতে এই বিশ্লেষনের সমর্থনে বক্তব্য রাখেন প্রবীণ শিক্ষক তথা নাগরিক আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী মলয় ভট্টাচার্য; ডি এস এ 'র সম্পাদক অতনু ভট্টাচার্য; সমাজকর্মী পীযূষ চক্রবর্তী; শ্রমিক নেতা মৃনাল কান্তি সোম; সাংস্কৃতিক কর্মী প্রদীপ নাথ, সরল পাল প্রমূখ । এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সুব্রত চন্দ্র নাথ, হরিদাস দত্ত, ভবতোষ চক্রবর্তী, মধূসুদন কর সত্যজিৎ গুপ্ত, দিলীপ নাথ অঞ্জন চন্দ, পরিতোষ ভট্টাচার্য, দীপক দাস; নাট্যকর্মী সন্তোষ চক্রবর্তী সহ আরও অনেক সংগ্রামী ব্যক্তিবর্গ।
বিক্ষোভ শেষে আহ্বায়ক অজয় রায় আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে সর্বস্তরের জনগনের সহযোগিতা কামনা করেন ।