ASSAM
এখন সরকারি সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ করে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে যোগ্যতা শব্দটি সর্বাগ্রে রাখা হয়, তা যুক্তিসঙ্গত
শিলচর : দেশের জনসংখ্যার দিক যদি ২০১১ কে দেখা যায় সেই হিসেবকে লক্ষ্য রেখে আমরা ১৪০ কোটির বাসভূমির দেশ ভারতকে বলে থাকি আর ২০২৬ সনের এই সময়ে স্ব-গণনার পর অর্থাৎ অনলাইনে যে বা যারাই প্রপত্র পূর্ণ করেছেন তারপরে সরকারি কার্যক্রম গণনার ক্ষেত্রে প্রথম ধাপে একজন কর্মী বাড়ি বাড়ি এসে তিন অঙ্কের সি.এন নম্বর দিয়ে প্রথমদিনের কাজ শেষ করে চলে গেলেন। পরবর্তী এসে চার অঙ্কের নাম্বার লিখলেন এবং তার আগে পরিবারের প্রধান থেকে শুরু করে পরিকাঠামো দিক সম্পর্কে জেনে নিলেন। তারপর তৃতীয় ধাপ হিসেবে ২০২৭ সনের ফেব্রুয়ারি মাসে আসবেন বলে জানিয়ে গেলেন ঐ জনসংখ্যা পরিসংখ্যান এরজন্য আসা সরকারি কর্মী।
ব্যাপার হচ্ছে আমরা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ গণতন্ত্রের দিকেই কেবল নয় জনসংখ্যার দিকেও চিনের দিক থেকে অনেক বেশি এগিয়ে গেছি। জমি-জামা যা আমাদের মানচিত্রের মধ্যে আছে সে তো আছেই কিন্তু জনবিস্ফোরণের ফলে আবাদি কিন্তু বাড়ছে তাই চাষাবাদের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে স্বাভাবিকভাবে না করে অধিক ফলনের জন্য সার প্রয়োগ চলছে তবে সরকার এবার নড়েচড়ে বসেছেন। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই পর্যায়ে কাজও শুরু হয়েছে তবে বাস্তবে কতটুকু কার্যকর রূপ পাবে সে নিশ্চিত উপযুক্ত স্থানে প্রয়োগের ক্ষেত্রভূমি দেখা পর বলা যেতে পারে। এদিকে যদি আমাদের নিযুক্তির ব্যাপারে বিজ্ঞাপনের দিকে এবং ঐ কার্যক্রমের পর্যায়ে চোখ রাখা যায় তাহলে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বলা হয় দেশের বিকাশের লক্ষ্যে যোগ্য ব্যক্তিকে চাই কর্মী হিসেবে আর এটি সত্য এবং স্বাভাবিক কারণ উপযুক্ত শিক্ষিত এবং জানার ঘর যদি না থাকে তবে বাস্তবিক অর্থেই এগোনো মুশকিল। এই সময়ে এই প্রতিবেদকের নিকট এমন কিছু বয়ান অনেক সচেতন নাগরিক থেকে যারা টিভির পর্দায় বা সংবাদের সম্মুখে আসতে দেখা যায় না তাদের পথচলার মধ্যে হাল্কা হাঁটা এবং মিনিট দাঁড়িয়ে কথা বলার মধ্যে শোনা যায় তবে যোগ্য ব্যক্তি ছাড়া আরও যারা চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়ে রইলেন সেসকল বেকার যুবক-যুবতিদের জন্য সরকারের ঠিক কি ধরনের অবস্থান আছে সে ব্যাপারেও এধরনের উপযুক্ত দিক নির্দেশিকা যদি স্পষ্ট করে দেওয়া যায় তাহলে একটি সুস্থ সবল গণতান্ত্রিক দেশের জন্য উন্নত প্রবাহমান ধারা বলে আখ্যায়িত করা নিশ্চিত যাবে বলে অভিমত থেকে পড়তে দেখা যায়। মনে হয় এব্যাপারে চিন্তা চর্চার বিষয় ছুটে আসবে কারণকি প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষের জিজ্ঞেস্যতার বিষয় যেমন রয়েছে আর এর জবাব পাওয়ার ক্ষেত্রেও কোনও কমতি যে নেই সেও স্পষ্ট। সুতরাং জনতার স্বার্থে দেশের সর্বাঙ্গীন বিকাশকে সামনে রেখে সর্বক্ষেত্রে সমান দৃষ্টি রেখে যদি এগোনো না যায় তাহলে লক্ষ্যকে পৌঁছাতে গেলে ঐ যেসকল অসম্পূর্ণ দিক রয়েছে তার জন্য এগোনোর ক্ষেত্রে বাধার দিকও ছুটে আসা অনেকটাই সরল ভাষার মধ্যে পড়ে যায়। অতএব, সম্যক দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে দেশকে বিশ্বের কাছে দৃষ্টান্তমূলক ভূমিকা নিয়ে জগতসভায় ভারতকে শ্রেষ্ঠ আসনে তুলে ধরার পথে প্রয়াসী হতে হবে।
ব্যাপার হচ্ছে আমরা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ গণতন্ত্রের দিকেই কেবল নয় জনসংখ্যার দিকেও চিনের দিক থেকে অনেক বেশি এগিয়ে গেছি। জমি-জামা যা আমাদের মানচিত্রের মধ্যে আছে সে তো আছেই কিন্তু জনবিস্ফোরণের ফলে আবাদি কিন্তু বাড়ছে তাই চাষাবাদের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে স্বাভাবিকভাবে না করে অধিক ফলনের জন্য সার প্রয়োগ চলছে তবে সরকার এবার নড়েচড়ে বসেছেন। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই পর্যায়ে কাজও শুরু হয়েছে তবে বাস্তবে কতটুকু কার্যকর রূপ পাবে সে নিশ্চিত উপযুক্ত স্থানে প্রয়োগের ক্ষেত্রভূমি দেখা পর বলা যেতে পারে। এদিকে যদি আমাদের নিযুক্তির ব্যাপারে বিজ্ঞাপনের দিকে এবং ঐ কার্যক্রমের পর্যায়ে চোখ রাখা যায় তাহলে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বলা হয় দেশের বিকাশের লক্ষ্যে যোগ্য ব্যক্তিকে চাই কর্মী হিসেবে আর এটি সত্য এবং স্বাভাবিক কারণ উপযুক্ত শিক্ষিত এবং জানার ঘর যদি না থাকে তবে বাস্তবিক অর্থেই এগোনো মুশকিল। এই সময়ে এই প্রতিবেদকের নিকট এমন কিছু বয়ান অনেক সচেতন নাগরিক থেকে যারা টিভির পর্দায় বা সংবাদের সম্মুখে আসতে দেখা যায় না তাদের পথচলার মধ্যে হাল্কা হাঁটা এবং মিনিট দাঁড়িয়ে কথা বলার মধ্যে শোনা যায় তবে যোগ্য ব্যক্তি ছাড়া আরও যারা চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়ে রইলেন সেসকল বেকার যুবক-যুবতিদের জন্য সরকারের ঠিক কি ধরনের অবস্থান আছে সে ব্যাপারেও এধরনের উপযুক্ত দিক নির্দেশিকা যদি স্পষ্ট করে দেওয়া যায় তাহলে একটি সুস্থ সবল গণতান্ত্রিক দেশের জন্য উন্নত প্রবাহমান ধারা বলে আখ্যায়িত করা নিশ্চিত যাবে বলে অভিমত থেকে পড়তে দেখা যায়। মনে হয় এব্যাপারে চিন্তা চর্চার বিষয় ছুটে আসবে কারণকি প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষের জিজ্ঞেস্যতার বিষয় যেমন রয়েছে আর এর জবাব পাওয়ার ক্ষেত্রেও কোনও কমতি যে নেই সেও স্পষ্ট। সুতরাং জনতার স্বার্থে দেশের সর্বাঙ্গীন বিকাশকে সামনে রেখে সর্বক্ষেত্রে সমান দৃষ্টি রেখে যদি এগোনো না যায় তাহলে লক্ষ্যকে পৌঁছাতে গেলে ঐ যেসকল অসম্পূর্ণ দিক রয়েছে তার জন্য এগোনোর ক্ষেত্রে বাধার দিকও ছুটে আসা অনেকটাই সরল ভাষার মধ্যে পড়ে যায়। অতএব, সম্যক দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে দেশকে বিশ্বের কাছে দৃষ্টান্তমূলক ভূমিকা নিয়ে জগতসভায় ভারতকে শ্রেষ্ঠ আসনে তুলে ধরার পথে প্রয়াসী হতে হবে।