ASSAM
প্রযুুক্তির গতি...
যত দিন যাচ্ছে আমরা প্রযুক্তির দিক দিয়ে দুর্বার গতি নিয়ে এগিয়ে চলছি, এটি কেবল আমাদের দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় এযে সমগ্র বিশ্বের প্রভাব আর এজন্যই এখন বিজ্ঞান গবেষণা থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই এই কার্যক্রম কেবল চলছেই। যুদ্ধের ক্ষেত্রেও এ.আই এবার দায়িত্ব নেওয়ার দিকে এগোলো। যদি চোখ রাখা যায় খুববেশি দূরে নয় ২০০০ সন এবং তার কিছু আগে তাহলে দেখা যাবে এধরনের প্রযুক্তির নিত্যনতুন খেলা এত ছিলনা। যদি বিশেষভাবে দেখতে পাওয়া যায় তাহলে ২০১০-এর পর থেকে এই রোষটা সাংঘাতিকভাবে বেড়ে যেতে দেখা যায় আর এই সময় তো সোস্যাল মিডিয়ায় কেবল দৌড়ই চলছে। অথচ একটা সময় ছিল যখন পোস্টকার্ডের একটি চিঠি ডাকবিভাগের পিওন বাড়িতে এসে পৌঁছে দিত তখন তার গুরুত্ব এবং মহিলা ও পিওনের প্রতি যে ব্যবহার উপচে পড়ত সে আজ আর এ.আই-এর অধ্যায়ের মধ্যে খুঁজে পাওয়া মুশকিল বলা যেতেই পারে। শিশির ভেজা ঘাসের সবুজ দৃশ্য আর দেখা হয়ত বা এজীবনে হবেনা। তবে আধুনিক দৌড় চরম পর্যায়ে যাবে একিন্তু সত্য বটে। oুত গতি নিয়ে যেভাবে আমরা এগিয়ে চলেছি তাতে কত কত জীবন, কত কত ইতিহাস দুমড়ে মুচড়ে যাবে সে কিন্তু আজ কতটুকু চর্চায় কতজনের মধ্যে রয়েছে বা বিরাজমান সে বিষয়ে হলফ করে বলা না গেলেও একিন্তু বাস্তব। যেভাবে হিমবাহ গলে জলের স্রোতধারার মধ্যে দিয়ে পাহাড়-পর্বত ভেঙে কাদামাখা নিয়ে জনবসতি বিলীন করে চলেছে সে কিন্তু জ্বলন্ত হয়ে আছে এই সময়ে। ২০১৫ সনে নেপাল ভূকম্পনে ক্ষয়ক্ষতির প্রবল শিকার হয়েছিল আর এই যে গত বুধবার প্রলয়ংকরী প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটে এরফলে সমগ্র বিশ্বের মানব সম্পদে প্রভাব ফেলে দেয়। প্রাণহানির দিক মিছিলে পরিণত হয়। বিভীষিকা রূপ এবং পরিবারের পর পরিবার অশ্রুধারায় কান্নায় ভেঙে পড়ে যা খুবই পরিতাপের বিষয়। এখনও নিখোঁজের সংখ্যা কেবল বেড়েই চলেছে। সুতরাং ভবিষ্যত যে কোন পথ দিয়ে এগোচ্ছে এর দিক নির্দেশিকা সামনেই আছে...