ASSAM
ডলুতে সড়ক দুর্ঘটনায় মহিলার মৃত্যু, ন্যায়বিচারের দাবিতে সড়ক অবরোধ — বিধায়কের হস্তক্ষেপে অবরোধ প্রত্যাহার
বড়খলা, ২৮ আগস্ট: ডলু কালীনগর এলাকায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৯ বছর বয়সী এক মহিলার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আজ সকাল থেকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মৃত মহিলার নাম পূর্ণিমা সিনহা। তিনি ডলু কালীনগর এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল দুপুর আনুমানিক ২টা থেকে ৩টার মধ্যে ডলু এলাকায় একটি অটো পূর্ণিমা সিনহা কে
সজোরে ধাক্কা মারে, ধাক্কা মারার ফলে পূর্ণিমা সিনহা গুরুতর জখম হন। দুর্ঘটনার পর উনাকে গুরুতর আহত অবস্থায় অটোচালক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে অন্যত্র নিয়ে যান । এবং একটি নির্জন স্থানে উনাকে রাস্তায় ফেলে অটোচালক পালিয়ে যায়।
কিছুক্ষণ পর স্থানীয় জনগণ রাস্তার পাশে গুরুতর অবস্থায় আহত মহিলাকে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে বড়খলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য শিলচর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে আজ সকাল থেকে মৃতার পরিবার ও কালীনগর এলাকার স্থানীয় জনগণ ন্যায়বিচারের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেন। তাঁদের প্রধান দাবি ছিল—ঘটনার সঙ্গে জড়িত অটোচালককে দ্রুত খুঁজে বের করে আইনানুগ শাস্তির ব্যবস্থা করা এবং মৃতার পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করা।
সড়ক অবরোধের খবর পেয়ে ডিএসপি মহেন্দ্র বড় এবং বড়খলা থানার ওসি কুলেন্দ্র হুজুরি-র নেতৃত্বে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে অবরোধ প্রত্যাহারের চেষ্টা করা হয়। তবে ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনগণ তাঁদের দাবি পূরণের আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত অবরোধ প্রত্যাহারে রাজি হননি।
পরবর্তীতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বড়খলার বিধায়ক কিশোর নাথ। তিনি অবরোধকারীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং উনাদের ক্ষোভ ও দাবিগুলি মনোযোগ দিয়ে শোনেন। স্থানীয় জনগণ বিধায়কের কাছে অটোচালককে দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা এবং মৃতার পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানান।
বিধায়ক কিশোর নাথ জনগণকে আশ্বস্ত করে বলেন, “আপনাদের ন্যায়বিচার পাইয়ে দিতে আমি আপনাদের সঙ্গে আছি। এই ঘটনায় যা যা করণীয়, তা দ্রুত করার জন্য আমি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব। আপনারা দয়া করে রাস্তা খুলে দিন, যাতে সাধারণ মানুষকে সমস্যার মুখে পড়তে না হয়।”
বিধায়কের আশ্বাসে শেষ পর্যন্ত স্থানীয় জনগণ অবরোধ প্রত্যাহার করতে সম্মত হন এবং সড়কটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়।
এদিকে, বিধায়ক কিশোর নাথ পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে ঘটনাটির দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীদের চিহ্নিত করে অতি সত্বর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে মৃতার পরিবার যাতে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
পরবর্তীতে পোস্টমর্টেমের পর পূর্ণিমা সিনহার মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে বিধায়ক কিশোর নাথ মরদেহের সঙ্গে মৃতব্যক্তির বাসভবনে যান। সেখানে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন, উনাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত খোঁজখবর নেন এবং এই কঠিন সময়ে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
বিধায়ক পুনরায় পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে ঘটনাটির দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অভিযোগে অভিযুক্ত অটোচালককে চিহ্নিত করে অতি সত্বর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে মৃতার পরিবারকে ন্যায়বিচার পাইয়ে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন, অভিযুক্ত অটোচালককে দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা এবং মৃতার পরিবারকে ন্যায়বিচার ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনগণ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল দুপুর আনুমানিক ২টা থেকে ৩টার মধ্যে ডলু এলাকায় একটি অটো পূর্ণিমা সিনহা কে
সজোরে ধাক্কা মারে, ধাক্কা মারার ফলে পূর্ণিমা সিনহা গুরুতর জখম হন। দুর্ঘটনার পর উনাকে গুরুতর আহত অবস্থায় অটোচালক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে অন্যত্র নিয়ে যান । এবং একটি নির্জন স্থানে উনাকে রাস্তায় ফেলে অটোচালক পালিয়ে যায়।
কিছুক্ষণ পর স্থানীয় জনগণ রাস্তার পাশে গুরুতর অবস্থায় আহত মহিলাকে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে বড়খলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য শিলচর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে আজ সকাল থেকে মৃতার পরিবার ও কালীনগর এলাকার স্থানীয় জনগণ ন্যায়বিচারের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেন। তাঁদের প্রধান দাবি ছিল—ঘটনার সঙ্গে জড়িত অটোচালককে দ্রুত খুঁজে বের করে আইনানুগ শাস্তির ব্যবস্থা করা এবং মৃতার পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করা।
সড়ক অবরোধের খবর পেয়ে ডিএসপি মহেন্দ্র বড় এবং বড়খলা থানার ওসি কুলেন্দ্র হুজুরি-র নেতৃত্বে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে অবরোধ প্রত্যাহারের চেষ্টা করা হয়। তবে ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনগণ তাঁদের দাবি পূরণের আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত অবরোধ প্রত্যাহারে রাজি হননি।
পরবর্তীতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বড়খলার বিধায়ক কিশোর নাথ। তিনি অবরোধকারীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং উনাদের ক্ষোভ ও দাবিগুলি মনোযোগ দিয়ে শোনেন। স্থানীয় জনগণ বিধায়কের কাছে অটোচালককে দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা এবং মৃতার পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানান।
বিধায়ক কিশোর নাথ জনগণকে আশ্বস্ত করে বলেন, “আপনাদের ন্যায়বিচার পাইয়ে দিতে আমি আপনাদের সঙ্গে আছি। এই ঘটনায় যা যা করণীয়, তা দ্রুত করার জন্য আমি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব। আপনারা দয়া করে রাস্তা খুলে দিন, যাতে সাধারণ মানুষকে সমস্যার মুখে পড়তে না হয়।”
বিধায়কের আশ্বাসে শেষ পর্যন্ত স্থানীয় জনগণ অবরোধ প্রত্যাহার করতে সম্মত হন এবং সড়কটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়।
এদিকে, বিধায়ক কিশোর নাথ পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে ঘটনাটির দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীদের চিহ্নিত করে অতি সত্বর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে মৃতার পরিবার যাতে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
পরবর্তীতে পোস্টমর্টেমের পর পূর্ণিমা সিনহার মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে বিধায়ক কিশোর নাথ মরদেহের সঙ্গে মৃতব্যক্তির বাসভবনে যান। সেখানে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন, উনাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত খোঁজখবর নেন এবং এই কঠিন সময়ে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
বিধায়ক পুনরায় পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে ঘটনাটির দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অভিযোগে অভিযুক্ত অটোচালককে চিহ্নিত করে অতি সত্বর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে মৃতার পরিবারকে ন্যায়বিচার পাইয়ে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন, অভিযুক্ত অটোচালককে দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা এবং মৃতার পরিবারকে ন্যায়বিচার ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনগণ।