ASSAM
নেপালের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে স্তম্ভিত বিশ্ব
গত বুধবার সকালে বলা চলে অতর্কিত আক্রমণ করল প্রকৃতি নেপালের বুকে। চিন থেকে প্রবল বেগে আসা জলের রুoরূপের কথা জানতো কমকরেও ৪৫ মিনিট সময় ব্যয় শেষে এই তথ্য আসার সময় পর্যন্ত নেপালের বিপর্যয় মোকাবিলা বিভাগের কাছে নদীর তটে বসতি গড়া লোকেদের জানানোর মত সময় না পাওয়ার জন্য অতিরিক্ত জীবন ও সম্পত্তির ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। পশ্চিমী দেশ থেকে শুরু করে ভারত এবং বিশ্বের অন্যান্য বেশ কয়েকটি দেশের পর্যটকরা নেপালে ভ্রমণরত অবস্থায় ছিলেন। কৈলাস পর্বতের অভিযানেও ভক্তপ্রাণদের এগিয়ে চলার দিকটি ছিল আর এই আক্রমণের ফলে ভক্তদের হদিশ পর্যন্ত পাওয়ার বিষয় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেপালের এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের পক্ষ থেকে গভীর শোক ব্যক্ত করেন এবং নয়াদিল্লি কর্তৃক সরাসরি প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপালের এই দুঃসময়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়। তাছাড়া দেশের বিদেশ মন্ত্রণালয় দ্বারা জারি করা হয় তথ্য সন্ধানের দিক থেকে শুরু করে মৃত্যুর সংখ্যা এবং নিখোঁজের আনুমানিক হিসেব। সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ভারতের ৩০০ পর্যটক এখনও সংযোগসীমা রেখার বাইরে অর্থাৎ নিখোঁজের তালিকায় রাখা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা এখন পর্যন্ত নেপালের ঘোষণা মতে ৩৫৯। এখন পর্যন্ত নেপালে মোট নিখোঁজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩৮৪ পর্যন্ত। আসামের ডবকার শতদল নাথ নেপালে গিয়েছিলেন, তিনি এখন পর্যন্ত নিখোঁজের তালিকায় রয়েছেন। অসম সরকারের পক্ষ থেকে টোল ফ্রি নম্বর জারি করা হয়েছে জরুরি ভিত্তিক, সেটি হল - ১০৭০, ১০৭৯ বা ১১২ তে অবগত করানোর জন্য। এটি অসম রাজ্যিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যালয় থেকে জনস্বার্থে প্রচারিত।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হিমবাহ সংক্রান্ত যেসকল আক্রমণ ঘটে থাকে সে ক্ষেত্রে প্রাণহানির কোন ঘটনা শোনা যায়না তার কারণ হল সেসকল এলাকায় জনবসতি নেই কিন্তু নেপালের ক্ষেত্রে তা অন্যধরনের। হিমবাহ জমে থাকা স্থানে বাড়তি জলের অর্থাৎ বৃষ্টির ধারা সহ যে প্রাকৃতিক কাণ্ডটি ঘটে যায় সেখানে সময়ে সময়ে দুর্যোগের মুখে পড়তে হয় আর নদীর পাড় থেকে শুরু করে পাহাড়ের বুকে বসতি তাছাড়া পর্যটকদের জন্য লজ ইত্যাদি অর্থ উপার্জনের জন্য করা হয়ে থাকে আর এসকল দিক বাস্তবরূপে এই সময়ে উঠে আসে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের রূপরেখা দেখা শেষে। নিঃস¨েহে এ সমগ্র বিশ্বের কাছে বড় ধরণের প্রত্যাহ´ান হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রকৃতির রুoরূপের কাছে মানুষের জীবনযাপনের ক্ষেত্রটি তুলনার মধ্যে থাকছেনা। তবে যে ধরনের মৃত্যু এবং নিখোঁজের ঘটনা নেপালে ঘটে গেল সে বড্ড পীড়াদায়ক। উদ্ধারকার্যে সেনাবাহিনী হেলিকপ্টার থেকে শুরু করে বিভিন্নভাবে এগিয়ে চলেছে। এই করুণ এবং মর্মান্তিক অবস্থার মধ্যে যদি কোন মানুষ মৃতদেহকে সৎকার বা মর্যাদাপূর্ণ শ্রদ্ধা জানানো ও উদ্ধার না করে ঐ শরীরে স্বর্ণালঙ্কার কি কি আছে তা শনাক্ত করে লুটপাট করার উদ্দেশ্য নিয়ে চলে আর সে দৃশ্য সোস্যাল মিডিয়ায় প্রচার করা হয় সে কি মানবসভ্যতার ইতিহাসে বিরল লজ্জার দিক নয়? এমনটাই নেপালের এই পরিস্থিতিতে দেখা গেল। তবে এখনও মানুষের মধ্যে বিবেক-বিবেচনা ও মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত রয়েছে বলা যায় সংখ্যাধিক্যের আর এজন্যই এই প্রলয়ংকরী ক্ষয়-ক্ষতির মুখে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সরকারের পাশে ও মানুষকে উদ্ধার করতে দেখা যায়। প্রাণে বাঁচার সময় ছিলনা এত স্রোত নিয়ে এসছিল পাহাড় ভেঙে অনেক শক্তিশালী জল-কাঁদার মিশ্রিত আক্রমণ। ঝুলন্ত পুল থেকে শুরু করে নদীর পাড়ের নির্মীয়মাণ ঘর-বাড়ি তাছাড়া গবাদি পশুদের আর্তনাদের ছবিও দেখতে পাওয়া যায় যা সত্যিকার অর্থেই হৃদয়বিদারক। এ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার প্রতি সবধরনের মানবিক এবং মানসিক পর্যায়টি আসুক বাস্তব জগতে এই কামনাই জ্বলন্ত পরিস্থিতির মুখে রইল।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হিমবাহ সংক্রান্ত যেসকল আক্রমণ ঘটে থাকে সে ক্ষেত্রে প্রাণহানির কোন ঘটনা শোনা যায়না তার কারণ হল সেসকল এলাকায় জনবসতি নেই কিন্তু নেপালের ক্ষেত্রে তা অন্যধরনের। হিমবাহ জমে থাকা স্থানে বাড়তি জলের অর্থাৎ বৃষ্টির ধারা সহ যে প্রাকৃতিক কাণ্ডটি ঘটে যায় সেখানে সময়ে সময়ে দুর্যোগের মুখে পড়তে হয় আর নদীর পাড় থেকে শুরু করে পাহাড়ের বুকে বসতি তাছাড়া পর্যটকদের জন্য লজ ইত্যাদি অর্থ উপার্জনের জন্য করা হয়ে থাকে আর এসকল দিক বাস্তবরূপে এই সময়ে উঠে আসে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের রূপরেখা দেখা শেষে। নিঃস¨েহে এ সমগ্র বিশ্বের কাছে বড় ধরণের প্রত্যাহ´ান হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রকৃতির রুoরূপের কাছে মানুষের জীবনযাপনের ক্ষেত্রটি তুলনার মধ্যে থাকছেনা। তবে যে ধরনের মৃত্যু এবং নিখোঁজের ঘটনা নেপালে ঘটে গেল সে বড্ড পীড়াদায়ক। উদ্ধারকার্যে সেনাবাহিনী হেলিকপ্টার থেকে শুরু করে বিভিন্নভাবে এগিয়ে চলেছে। এই করুণ এবং মর্মান্তিক অবস্থার মধ্যে যদি কোন মানুষ মৃতদেহকে সৎকার বা মর্যাদাপূর্ণ শ্রদ্ধা জানানো ও উদ্ধার না করে ঐ শরীরে স্বর্ণালঙ্কার কি কি আছে তা শনাক্ত করে লুটপাট করার উদ্দেশ্য নিয়ে চলে আর সে দৃশ্য সোস্যাল মিডিয়ায় প্রচার করা হয় সে কি মানবসভ্যতার ইতিহাসে বিরল লজ্জার দিক নয়? এমনটাই নেপালের এই পরিস্থিতিতে দেখা গেল। তবে এখনও মানুষের মধ্যে বিবেক-বিবেচনা ও মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত রয়েছে বলা যায় সংখ্যাধিক্যের আর এজন্যই এই প্রলয়ংকরী ক্ষয়-ক্ষতির মুখে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সরকারের পাশে ও মানুষকে উদ্ধার করতে দেখা যায়। প্রাণে বাঁচার সময় ছিলনা এত স্রোত নিয়ে এসছিল পাহাড় ভেঙে অনেক শক্তিশালী জল-কাঁদার মিশ্রিত আক্রমণ। ঝুলন্ত পুল থেকে শুরু করে নদীর পাড়ের নির্মীয়মাণ ঘর-বাড়ি তাছাড়া গবাদি পশুদের আর্তনাদের ছবিও দেখতে পাওয়া যায় যা সত্যিকার অর্থেই হৃদয়বিদারক। এ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার প্রতি সবধরনের মানবিক এবং মানসিক পর্যায়টি আসুক বাস্তব জগতে এই কামনাই জ্বলন্ত পরিস্থিতির মুখে রইল।