ASSAM
কাছাড়ে পরিবার পরিকল্পনায় নতুন দিশা, শুরু সাবডার্মাল ইমপ্লান্ট পরিষেবা
- কাছাড় জেলায় মহিলাদের জন্য পরিবার পরিকল্পনার ক্ষেত্রে যুক্ত হল আরও একটি দীর্ঘমেয়াদি ও প্রত্যাবর্তনযোগ্য পদ্ধতি। একক-রডের সাবডার্মাল কনট্রাসেপটিভ ইমপ্লান্ট পরিষেবার সূচনা হল জেলায়। ত্বকের নীচে স্থাপন করা এই ইমপ্লান্ট গর্ভধারণ প্রতিরোধে তিন বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দিতে সক্ষম।
বুধবার শিলচর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, এস. এম. দেব সিভিল হাসপাতাল এবং ছোট মামদা মডেল হাসপাতাল, শিলচরে এই পরিষেবার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। এর ফলে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অধীনে অসমের যে কয়েকটি জেলায় এই পদ্ধতি চালু হয়েছে, কাছাড়ও সেই তালিকায় যুক্ত হল। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই কামরূপ মেট্রো, বরপেটা, শোণিতপুর, ধুবড়ি এবং ডিব্রুগড়ে এই পরিষেবা চালু রয়েছে।
উল্লেখযোগ্য, ত্বকের নীচে স্থাপন করা এই ইমপ্লান্ট প্রতিদিনের গর্ভনিরোধক পদ্ধতির উপর নির্ভর না করে সন্তানধারণে ব্যবধান রাখতে বা গর্ভধারণ পরিকল্পনা করতে ইচ্ছুক মহিলাদের সামনে একটি বিকল্প তৈরি করেছে।
এদিকে, কাছাড়ের স্বাস্থ্য বিভাগের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এই পরিষেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসিদ্ধ ও সচেতন সিদ্ধান্তকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে। পদ্ধতিটি গ্রহণের আগে উপভোক্তাদের প্রয়োজনীয় কাউন্সেলিং দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, নির্ধারিত নির্দেশিকা অনুযায়ী কাউন্সেলিং, ইমপ্লান্ট স্থাপন এবং পরবর্তী পর্যায়ের পরিষেবা দেওয়ার জন্য কাছাড়ে মোট ১১ জন চিকিৎসককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। জেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রশিক্ষিত কর্মীর উপস্থিতি এই নতুন পদ্ধতি গ্রহণে আগ্রহী মহিলাদের কাছে পরিষেবাটিকে আরও সহজলভ্য করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
পরিষেবা সূচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য পরিষেবার যুগ্ম সঞ্চালক ডা. সুমনা নাইডিং, এসএমসিএইচ-এর প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. ভাস্কর গুপ্ত, প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. অলকা বন্দ্যোপাধ্যায়, ডা. পুজা গুপ্ত, আইপাস ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (IDF), দিল্লির সিনিয়র স্পেশালিস্ট, টেকনিক্যাল এক্সেলেন্সি, সন্তোষ কুমার মহারাজ, IDF, গুয়াহাটির সিনিয়র কো-অর্ডিনেটর, প্রোগ্রামস অ্যান্ড ট্রেনিংস, ডা. তপন জ্যোতি কলিতা, IDF, গুয়াহাটির স্পেশালিস্ট, প্রোগ্রামস অ্যান্ড ট্রেনিংস এবং ডা. গুলবাহার রাজ, ডিএমই, এনএইচএম, কাছাড়।
কাছাড় জেলা স্বাস্থ্য পরিষেবার পক্ষ থেকে জেলায় নতুন এই গর্ভনিরোধক পরিষেবা চালুর ক্ষেত্রে আইপাস ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (IDF)-এর দেওয়া কারিগরি ও কর্মসূচিগত সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এই সহযোগিতা প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও শক্তিশালী করতে এবং পরিষেবার গুণমান নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. অলকা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইমপ্লান্ট একটি নিরাপদ ও কার্যকর পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি। তিনি যোগ্য দম্পতিদের কাউন্সেলিং নেওয়ার এবং নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী সচেতন সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানান।
ইমপ্লান্ট সম্পর্কে তথ্য জানতে আগ্রহী মহিলা ও দম্পতিরা তাঁদের নিকটবর্তী এএনএম বা আশাকর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। পাশাপাশি, নিকটতম স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়েও কাউন্সেলিং ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ নেওয়া যাবে।
স্বাস্থ্য আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কাউন্সেলিং থেকে শুরু করে ইমপ্লান্ট স্থাপন এবং পরবর্তী পর্যায়ের ফলো-আপ, পুরো প্রক্রিয়াতেই উপভোক্তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই পরিষেবা চালুর ফলে কাছাড়ের সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থায় পরিবার পরিকল্পনার উপলব্ধ পদ্ধতির তালিকায় আরও একটি বিকল্প যুক্ত হল। যে সমস্ত মহিলা এমন একটি প্রত্যাবর্তনযোগ্য পদ্ধতি চান, যার জন্য প্রতিদিন কোনও বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন নেই, তাঁদের জন্য গর্ভধারণে ব্যবধান রাখা ও পরিবার পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এই ইমপ্লান্ট একটি অতিরিক্ত সুযোগ এনে দিয়েছে।
অসম সরকারের তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগের বরাক উপত্যকার আঞ্চলিক কার্যালয় শিলচর থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানানো হয়েছে।
বুধবার শিলচর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, এস. এম. দেব সিভিল হাসপাতাল এবং ছোট মামদা মডেল হাসপাতাল, শিলচরে এই পরিষেবার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। এর ফলে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অধীনে অসমের যে কয়েকটি জেলায় এই পদ্ধতি চালু হয়েছে, কাছাড়ও সেই তালিকায় যুক্ত হল। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই কামরূপ মেট্রো, বরপেটা, শোণিতপুর, ধুবড়ি এবং ডিব্রুগড়ে এই পরিষেবা চালু রয়েছে।
উল্লেখযোগ্য, ত্বকের নীচে স্থাপন করা এই ইমপ্লান্ট প্রতিদিনের গর্ভনিরোধক পদ্ধতির উপর নির্ভর না করে সন্তানধারণে ব্যবধান রাখতে বা গর্ভধারণ পরিকল্পনা করতে ইচ্ছুক মহিলাদের সামনে একটি বিকল্প তৈরি করেছে।
এদিকে, কাছাড়ের স্বাস্থ্য বিভাগের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এই পরিষেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসিদ্ধ ও সচেতন সিদ্ধান্তকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে। পদ্ধতিটি গ্রহণের আগে উপভোক্তাদের প্রয়োজনীয় কাউন্সেলিং দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, নির্ধারিত নির্দেশিকা অনুযায়ী কাউন্সেলিং, ইমপ্লান্ট স্থাপন এবং পরবর্তী পর্যায়ের পরিষেবা দেওয়ার জন্য কাছাড়ে মোট ১১ জন চিকিৎসককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। জেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রশিক্ষিত কর্মীর উপস্থিতি এই নতুন পদ্ধতি গ্রহণে আগ্রহী মহিলাদের কাছে পরিষেবাটিকে আরও সহজলভ্য করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
পরিষেবা সূচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য পরিষেবার যুগ্ম সঞ্চালক ডা. সুমনা নাইডিং, এসএমসিএইচ-এর প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. ভাস্কর গুপ্ত, প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. অলকা বন্দ্যোপাধ্যায়, ডা. পুজা গুপ্ত, আইপাস ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (IDF), দিল্লির সিনিয়র স্পেশালিস্ট, টেকনিক্যাল এক্সেলেন্সি, সন্তোষ কুমার মহারাজ, IDF, গুয়াহাটির সিনিয়র কো-অর্ডিনেটর, প্রোগ্রামস অ্যান্ড ট্রেনিংস, ডা. তপন জ্যোতি কলিতা, IDF, গুয়াহাটির স্পেশালিস্ট, প্রোগ্রামস অ্যান্ড ট্রেনিংস এবং ডা. গুলবাহার রাজ, ডিএমই, এনএইচএম, কাছাড়।
কাছাড় জেলা স্বাস্থ্য পরিষেবার পক্ষ থেকে জেলায় নতুন এই গর্ভনিরোধক পরিষেবা চালুর ক্ষেত্রে আইপাস ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (IDF)-এর দেওয়া কারিগরি ও কর্মসূচিগত সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এই সহযোগিতা প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও শক্তিশালী করতে এবং পরিষেবার গুণমান নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. অলকা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইমপ্লান্ট একটি নিরাপদ ও কার্যকর পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি। তিনি যোগ্য দম্পতিদের কাউন্সেলিং নেওয়ার এবং নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী সচেতন সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানান।
ইমপ্লান্ট সম্পর্কে তথ্য জানতে আগ্রহী মহিলা ও দম্পতিরা তাঁদের নিকটবর্তী এএনএম বা আশাকর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। পাশাপাশি, নিকটতম স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়েও কাউন্সেলিং ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ নেওয়া যাবে।
স্বাস্থ্য আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কাউন্সেলিং থেকে শুরু করে ইমপ্লান্ট স্থাপন এবং পরবর্তী পর্যায়ের ফলো-আপ, পুরো প্রক্রিয়াতেই উপভোক্তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই পরিষেবা চালুর ফলে কাছাড়ের সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থায় পরিবার পরিকল্পনার উপলব্ধ পদ্ধতির তালিকায় আরও একটি বিকল্প যুক্ত হল। যে সমস্ত মহিলা এমন একটি প্রত্যাবর্তনযোগ্য পদ্ধতি চান, যার জন্য প্রতিদিন কোনও বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন নেই, তাঁদের জন্য গর্ভধারণে ব্যবধান রাখা ও পরিবার পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এই ইমপ্লান্ট একটি অতিরিক্ত সুযোগ এনে দিয়েছে।
অসম সরকারের তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগের বরাক উপত্যকার আঞ্চলিক কার্যালয় শিলচর থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানানো হয়েছে।